মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আগামী নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনী জোট নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে : রাশেদ খাঁন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া দলগুলোর মধ্যে বিভাজনের কারণে জনগণের মাঝে নির্বাচনের বিষয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের কথা বারবার বললেও রাজনৈতিক দলগুলো এবং সাধারণ মানুষ সরকারের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছে না। রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঝিনাইদহ সদর […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ নভেম্বর ২০২৫, ২৩:০৭

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া দলগুলোর মধ্যে বিভাজনের কারণে জনগণের মাঝে নির্বাচনের বিষয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের কথা বারবার বললেও রাজনৈতিক দলগুলো এবং সাধারণ মানুষ সরকারের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছে না।

রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিএনপি, জামায়াত, গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপি ও অন্যান্য ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তি একসঙ্গে লড়াই করেছিল। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের মুহূর্তে সব দল মতপার্থক্য ভুলে একই সুরে মাঠে নামে। কিন্তু এখন বিভিন্ন দল ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছে, যা জনগণের বিভ্রান্তি বাড়াচ্ছে। “এভাবে চলতে থাকলে আগামী নির্বাচন নিয়ে সংশয় আরও গভীর হবে,” মন্তব্য করেন তিনি।

আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্ধারিত সময়ে আদায় করতে গণঅভ্যুত্থানের শক্তিগুলোকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, “যথাসময়ে নির্বাচন না হলে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া কোনো দল বা নেতাকর্মীই ভালো থাকতে পারবে না। তাই আমাদের ঐক্য জরুরি।”

বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনী জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ দীর্ঘদিন ধরেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির সঙ্গে আমাদের অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে।”

তিনি জানান, বিএনপি ছাড়াও জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। “মূল লক্ষ্য—ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক অবস্থান বজায় রাখা,” বলেন রাশেদ খাঁন।

এর আগে ডাকবাংলা বাজার এলাকায় জেলা গণঅধিকার পরিষদ গণসংযোগ করে। এতে সংগঠনের জেলা সভাপতি প্রভাষক মো. সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজনসহ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতারাও অংশ নেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৭১

রাজনীতি

বিএনপি নেত্রী নিলুফার মনিকে ক্ষমা চাইতে হবে, না হলে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রশিবির

য়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৪৩

বিএনপি নেত্রী নিলুফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ঘৃণ্য অপপ্রচার আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, আদালতের রায়ে প্রমাণিত সত্য হলো—বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। অথচ নিলুফার মনি ক্ষমতাসীনদের অপরাধ আড়াল করতে নির্জলা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন। তিনি আসলে আওয়ামী লীগ–ছাত্রলীগের সীমাহীন খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও ধর্ষণের দায় এড়াতে শিবিরকে বলির পাঁঠা বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে জনগণের মনে প্রশ্ন জেগেছে, তিনি কি পতিত ফ্যাসিস্টদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন?

শিবিরের নেতারা আরও বলেন, গত ১৬ বছরে সংগঠনের ১০১ জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ২০ হাজারেরও বেশি মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করা হয়েছে, সাতজন এখনো গুম রয়েছে। এই সময়ে ছাত্রলীগই ক্যাম্পাসগুলোতে দাপটের সঙ্গে খুন, ধর্ষণ, টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি চালিয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিতকেও শিবির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ভয়াবহ নজির সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ। অথচ এই সব অপরাধ অস্বীকার করে নিলুফার মনি আজ শিবিরকে দোষারোপ করছেন। এটি নিছক মিথ্যাচার নয়, বরং দেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনকে দুর্বল করার নগ্ন ষড়যন্ত্র।

তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই অসত্য বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় ছাত্রশিবির আইনিভাবে কঠোর জবাব দেবে। দেশের মানুষ এখন খুব ভালো করেই জানে কারা আবরার ফাহাদকে হত্যা করেছে এবং কারা দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৭১

রাজনীতি

রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গোপন সিদ্ধান্ত বিএনপির, ১৫০ প্রার্থীকে সবুজ সংকেত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৩৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দীর্ঘ এক বছরের যাচাই-বাছাই ও বিভাগীয় পর্যায়ের একাধিক বৈঠকের পরও সব আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি। তবে দলটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীকে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপি এবার একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬০ আসনে নিজেদের প্রার্থী দিতে এবং শরিকদের জন্য ৪০ আসন ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিএনপির জোটে যুক্ত হলে তাদের জন্য ৮টি আসন রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

এক বছর আগে থেকেই সারাদেশে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে বিএনপি। প্রথমে প্রায় ৯০০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা তৈরি করে তা লন্ডনে হাইকমান্ডে পাঠানো হয়। সেখানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই প্রার্থীদের যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক ভূমিকা যাচাই করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তের গতি বাড়ায়। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বিভাগভিত্তিক মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে তারেক রহমান ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, “এই নির্বাচন বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।”

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, প্রার্থী নির্ধারণের বিভাগীয় বৈঠক শেষ হয়েছে, এখন মূল লক্ষ্য দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিশ্চিত করা।

বর্তমানে বিএনপি প্রায় ৪০টি সমমনা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে শরিকদের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন তালিকা ও জোট গঠনের রূপরেখাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৫৪৯২

রাজনীতি

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত […]

বিএনপি জোটের ১২ নেতাকে দিল ‘গ্রিন সিগন্যাল’

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ নভেম্বর ২০২৫, ১২:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঘোষিত তালিকায় দেখা যায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে— দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১— মনোনয়ন পেয়েছেন। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনে এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। খালেদা জিয়াসহ ১০ জন নারী বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

তবে এখনও ৬৩টি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে, যা শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্ব। দলটির একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, শরিক দলের ১২ জন নেতাকে ইতোমধ্যেই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের আসনে প্রস্তুতি নিতে পারেন।

তালিকায় রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এলডিপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা।

এছাড়া ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি মহাসচিব অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে রাশেদ খান।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপি এবার বৃহত্তর ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করার কৌশল নিয়েছে। শরিক দলগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থী বণ্টন করা হচ্ছে, যাতে জোটগত সমন্বয় অটুট থাকে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১২০৭১