বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, “বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ, মাওলানা ভাসানীর আওয়ামী লীগ, মুক্তিযুদ্ধের আওয়ামী লীগ— এটাই বাংলাদেশের মানুষের আওয়ামী লীগ। এই দলের ভোটাররা যদি ভোট দিতে না পারে, আমি গামছা নিয়ে নির্বাচনে যাব না।”
সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বহেড়াতৈল গণউচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, “আমরা জনগণের অধিকার চাই, ভোটাধিকার চাই। যারা পাকিস্তানের পক্ষে দাঁড়িয়ে দেশবিরোধী কাজ করেছিল, সেই জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে কেউ যদি নির্বাচন করে, আমি সেই নির্বাচনে অংশ নেব না।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বৈঠকে তার দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। “এখন ডাকলেও যাব না,” বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “ইউনূস সাহেব, এনজিও চালানো আর দেশ চালানো এক নয়। এখনো সময় আছে—সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করুন। তা না হলে ইতিহাসে আপনার নাম মীরজাফরদের পাশে লেখা হবে।”
বঙ্গবীর বলেন, তিনি শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ করেন না, করেন বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ। “জয় বাংলা বলা যদি অপরাধ হয়, তবে আমাকে প্রথম গ্রেপ্তার করুন,”— এমন চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি বা জামায়াত নয়, শেখ হাসিনাকে সরিয়েছে জনগণ। মানুষের অত্যাচার-অবিচারে অতিষ্ঠ হয়ে আল্লাহর বিধানেই তার পতন হয়েছে।”
কাদের সিদ্দিকী সতর্ক করে বলেন, “যে পথে শেখ হাসিনা হেঁটেছিলেন, যদি বিএনপি সেই পথ ধরে, তবে তাদের পরিণতিও একই হবে।”