অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করবেন। যদিও ঢাকায় নির্বাচনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, এখনো নির্দিষ্ট আসন জানাননি। রবিবার (৯ নভেম্বর) গণমাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদের এই সিদ্ধান্তকে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান স্বাগত জানিয়েছেন। সোমবার নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ লিখেছেন, “উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের জন্য শুভকামনা রইল। সরকারের যারা উপদেষ্টা হিসেবে আছেন এবং ভবিষ্যতে রাজনীতি করতে চান, তারা পদত্যাগ করলে সরকারের নিরপেক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে।”
রাশেদ বলেন, “আমি আসিফ মাহমুদের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। বরং পদত্যাগ আরও আগে করলে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আরও শক্তিশালী হতে পারত।” তিনি উল্লেখ করেন, উপদেষ্টা হিসেবে আসিফ মাহমুদের নানা সমালোচনা ছিল, তবে সব দায় তার নয়। “সরকারের সিনিয়র উপদেষ্টারা তাদের যথাযথ গাইডলাইন দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তারা তরুণ উপদেষ্টাদের বিপ্লবী শক্তি কাজে লাগাতে পারেননি।”
গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, “আসিফ মাহমুদের অনেক ভুল থাকতে পারে, কিন্তু তরুণ বয়সে ভুল করাটা স্বাভাবিক। ইতিহাস বদলে দিয়েছিল তার সাতটি শব্দ— ‘পরশু নয়, কালকেই লং মার্চ টু ঢাকা!’ সেই একদিনের সিদ্ধান্তেই ৬ আগস্টের পরিবর্তে ৫ আগস্টে লং মার্চ অনুষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।”
রাশেদ খান আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, আসিফ মাহমুদ তার ভুল শুধরে ভবিষ্যতে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবেন, নেতা হিসেবে নয়।”