গণঅধিকার পরিষদ-র সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, “যারাই জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, জনগণের সঙ্গে তামাশা করবে, তারাই রাজনীতি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর মতো নাই হয়ে যাবে। আমরা এই তরুণ প্রজন্ম জনগণের সঙ্গে থাকতে চাই। জনগণের চিন্তাভাবনাকে ধারণ করে আগামীর রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে চাই।”
রোববার (৯ নভেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বাহির গোলা চত্ত্বরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। নুরুল হক নুর বলেন, আওয়ামী লীগ একসময় ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল ছিল।
কিন্তু গত ১৬ বছরে ভিন্নমত দমনে, জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, এলাকা ছাড়া, বিচারবহির্ভূত আচরণ ও স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ভারতের দিকে সোপর্দের বিরুদ্ধে সচেতন শিক্ষিত তরুণ-যুবকদের আয়ুধহীন আন্দোলন (জুলাই যোদ্ধা) জানিয়েছে—এই কারণে আজ দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির জায়গাটা ধীরে ধীরে উধাও হয়েচ্ছে।
নুর বলছেন, গত ৫০ বছরে চলা বিভাজন, হিংসা-বিদ্বেষ, মারামারি, সাধারণ মানুষের রক্ত ঝরne রাজনীতি আর চলতে পারে না। যুব সামর্থ্যশালী তরুণেরা যাঁরা বুলেটের মুখে দাঁড়িয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলিত হয়েছেন, তাঁদেরই আগামী বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দিতে হবে। তাঁরা আপনার সন্তান, আপনার ভাই। তাই এই তরুণদের পাশে দাঁড়াতে হবে।
এই সময় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় উচ্চতর পরিষদের সদস্য মো. হানিফ খাঁন সজিব, প্রতিষ্ঠালীন সংগঠক ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাসুদ রানা মোন্নাফ, জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক রুমন বসুনিয়া, উপজেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাসেল মিয়া প্রমুখ।
নুরুল হক নুরের মনোভাব স্পষ্ট: রাজনীতিকে সাধারণ মানুষের হাতে ফেরানো হবে, ধন‐শক্তি-শক্তিশালীদের একচেটিয়া রাজনীতি ভেঙে দেওয়া হবে। আগামী নির্বাচন ও সামাজিক পরিবর্তনের মঞ্চে সেই তরুণ-যুবকদের ভূমিকা আজকের চেয়ে অনেক বেশি উল্লেখযোগ্য হবে, ইনশাল্লাহ।