শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জিয়ার আদর্শ ভুলে যাওয়ায় তার অনুসারীরা সংস্কার চায় না : আব্দুল্লাহ তাহের

জিয়াউর রহমানের আদর্শ ভুলে যাওয়ায় তার অনুসারীরা গণতন্ত্র চর্চা করছে না এবং সংস্কারও চায় না— এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির […]

জিয়ার আদর্শ ভুলে যাওয়ায় তার অনুসারীরা সংস্কার চায় না : আব্দুল্লাহ তাহের

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:১৬

জিয়াউর রহমানের আদর্শ ভুলে যাওয়ায় তার অনুসারীরা গণতন্ত্র চর্চা করছে না এবং সংস্কারও চায় না— এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. তাহের বলেন, “আমরা বলতে চাই না, কিন্তু শুনতে হয়— আজকের বিএনপি আর সেই জিয়াউর রহমানের বিএনপি নয়। জনগণের আস্থা ফিরে পেতে হলে বিএনপিকে আবার জিয়ার আদর্শে ফিরে যেতে হবে।” তিনি আরো বলেন, “জিয়াউর রহমানের সময় বিএনপি ছিল একটি বড় দল, আজ সেই অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে জামায়াতে ইসলামী।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “জিয়ার অনুসারীরা তার আদর্শ ভুলে গেছে, তাই তারা গণতন্ত্র চর্চা করে না, জনগণের সেন্টিমেন্ট বোঝে না এবং সংস্কার চায় না। যদি জনগণের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা না করে, তবে আওয়ামী লীগের মতোই তাদের পরিণতি হবে।”

ডা. তাহের বলেন, যারা জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট চায় না, তারা ডাকসু নির্বাচনে পরাজয়ের ভয় পেয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, “ডাকসু নির্বাচনে পরাজয়ের পর তারা জাকসু, চাকুস ও রাকসু নির্বাচন বন্ধ করতে নানা ষড়যন্ত্র করেছে, যা দেশবাসীও দেখেছে।”

তিনি আরো বলেন, “তারা জানে, জাতীয় নির্বাচনের আগে যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়, তাহলে বড় পরাজয় আসবে। তাই যেভাবে তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিরোধিতা করেছে, ঠিক একইভাবে এখন গণভোটেরও বিরোধিতা করছে।”

সিপাহি-জনতা ও ছাত্র-জনতার বিপ্লবকে এক সূত্রে গাঁথা বলে উল্লেখ করে ডা. তাহের বলেন, “সিপাহি-জনতার বিপ্লবের পর জিয়াউর রহমান নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে হলেও জাতীয় ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।” তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, “শহীদ জিয়াউর রহমান ও শহীদ গোলাম আজমের জানাজা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা ছিল— যা প্রমাণ করে তাদের প্রতি জনগণের ভালোবাসা কত গভীর।”

তিনি বলেন, “শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর তার নিজের দলের নেতারাই আওয়ামী লীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। পরে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হয়ে তাদের পুনরায় রাজনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ করে দেন।”

ডা. তাহের আরো বলেন, “জিয়াউর রহমান চেয়েছিলেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে সরকার গঠন করতে। কিন্তু আজকের বিএনপি তার সেই আদর্শ অনুসরণ করছে না।”

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সময়ক্ষেপণ করে লাভ নেই। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট অবশ্যই হতে হবে। যতই বিলম্ব করা হোক, আগে গণভোট— তারপর জাতীয় নির্বাচন।” তিনি সতর্ক করে দেন, “অন্যথায় জনগণ আবারও ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় রাজপথে নেমে আসবে।”

ডা. তাহের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট সম্পন্ন করে জুলাই সনদের আলোকে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন নূরুল ইসলাম বুলবুল, আমির, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ; এবং পরিচালনা করেন মহানগর সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, নায়েবে আমির ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালামসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।

সভাপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় বাংলাদেশ গড়তে ব্যর্থ হওয়ার ফলেই জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে।” তিনি যোগ করেন, “যেভাবে সিপাহি-জনতা ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগান দিয়েছিল, ঠিক একইভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও মানুষ বৈষম্যের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে।”

তিনি জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট সম্পন্ন করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানান।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০১৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০১৭