রুমিন ফারহানা, যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, সম্প্রতি এক টক-শো অনুষ্ঠানে বলেছেন— “রাজনীতি এখন এক দামের মতো হয়ে গেছে; একটা ধরণের ‘ডাস্টবিন’।” তিনি আরও যুক্ত করেছেন, “একজন শিক্ষিতা নারী, যার একটি সম্মানজনক পেশা আছে, যে ভালো একটি পরিবারে জন্ম-বিলাস করেছে, তিনি কেন এই নোংরাটির মধ্যেই নামবেন?”
তিনি বলেন, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া ও স্মার্টফোনের সময় আগমনের পর থেকে, ‘বট-আইডি’ ও ‘এআই’-র প্রসঙ্গেও দেখা গেছে- রাজনীতি অনেকাংশে একটি রসিকতা বা উপহাসমূলক জায়গায় পরিণত হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “এই পরিবেশে একজন শিক্ষিত নারী নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে কি সত্যিই রাজনীতিতে আসবেন?”
রুমিন ফারহানা বলেন, বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোতে যোগ্য নারী সংকট নেই—তবে নমিনেশনের ক্ষেত্রে সংখ্যাগত লক্ষ্যমাত্রা অনেক কম। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, “১০০ জন প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৩ বা ৪টি নারী নমিনেশন পাওয়া যায়, যা একদৃষ্টে পরিমাণে অত্যন্ত কম।”
তিনি বিশ্লেষণ করেছেন— ছোট রাজনৈতিক দলগুলো সবসময় বড় দলগুলোর সঙ্গেই যুক্ত হয়, নিজস্ব ভোটব্যাংক গড়তে পারে না। এই কারণে নতুন নিয়মানুযায়ী, নিজস্ব নিবন্ধন ও প্রতীকের অধিকার থাকলে নিজ দলের মার্কায় নির্বাচন করার বিষয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি বলেছেন, “যদি কোনো দলের নিবন্ধন ও প্রতীক থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠছে—আপনি সেই দল নিয়ে রাজনীতি করছেন না কেন?”
সংক্ষেপে বলা যায়, রুমিন ফারহানার বক্তব্যে উঠে এসেছে- শিক্ষিত নারী নেতৃত্বের অন্তর্ভুক্তি ও রাজনৈতিক পরিবেশ-মানের চ্যালেঞ্জ, পাশাপাশি দলের অভ্যন্তরীণ কাঠামো ও নমিনেশনে নারীর ভূমিকা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।