গত সোমবার রাজধানীর Diploma Engineering Institute-এ অনুষ্ঠিত ‘তারুণ্যের রাষ্ট্রচিন্তার চতুর্থ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘোষণা করেছেন যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ক্ষমতা পেলে ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি লোকের চাকরির ব্যবস্থা করবে — এটি কোনো নিছক ‘রাজনৈতিক বাগ্মিতা’ নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট ও সার্বিক পরিকল্পনা’.
তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে ধৈর্যের অভাব একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে; ক্ষমতায়নীত থেকে ছয় মাসের মধ্যেই পরিবর্তন আনতে না পারলে অস্থিরতা শুরু হবে — সেই চিন্তার সঙ্গে বিএনপি কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির সার্বিক পরিকল্পনা ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে।
আমীর খসরু প্রবাসীদের রেমিট্যান্সকে দেশের অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “যাদের রেমিট্যান্সে বাংলাদেশের অর্থনীতি চলে, তাদের ভোটাধিকার থাকা, যাওয়া-আসা ভালোভাবে নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি বলেন, প্রবাসীদের সম্মান ও ন্যায্যতা কতখানি দেওয়া হচ্ছে তার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এ ছাড়াও তিনি জানান যে, সরকারের আওতায় থাকা অনেক দায়িত্ব এমন রয়েছে যেগুলো বেসরকারিভাবে সম্পাদন সম্ভব; সেসব দায়িত্ব সরকার থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে বিএনপির।
সংক্ষেপে: বিএনপি বলছে — ক্ষমতায় এলে প্রথমেই চাকরি সৃষ্টি, প্রবাসীদের অধিক অধিকার এবং দায়িত্ববিন্যাসে পরিবর্তন হবে; এবং এই কর্মসূচি শুধুই প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়নের সাজানো পরিকল্পনা।