আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি সোমবার ২৩৭টি আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে তালিকায় দলের অন্যতম সিনিয়র আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার নাম না থাকায় সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রুমিন ফারহানার অনুপস্থিতি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে রাতেই এক টেলিভিশন আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “আমার মনোনয়ন আপাতত ‘অন হোল্ড’ অবস্থায় আছে। এখনো অনেক আসন ঝুলে আছে। দল ‘উইনেবল’ প্রার্থী খুঁজছে, তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আসবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রকাশিত তালিকাটি এখনো প্রাথমিক। সময়ের সঙ্গে তালিকায় পরিবর্তন হতে পারে। কেউ বাদ পড়তে পারেন, আবার নতুন কেউ যুক্তও হতে পারেন।”
রুমিন জানান, গত ১২–১৫ বছর ধরে যারা দলের সঙ্গে কাজ করেছেন, তাদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা চলছে। সেই কারণেই এখনো ৬৩টি আসন ঘোষণা করা হয়নি। পাশাপাশি নতুন কিছু দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বড় দলে প্রার্থীর সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই বেশি হয়। আবেগ থাকবেই, কিন্তু এটি দীর্ঘস্থায়ী নয়। সবাইকে দলের বৃহত্তর স্বার্থে ধৈর্য ধরতে হবে।”
নারী প্রার্থী সংখ্যা বৃদ্ধির প্রসঙ্গে রুমিন বলেন, “যদি বিএনপি নারী মনোনয়ন ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়, তাহলে আরও নারীর সুযোগ সৃষ্টি হবে।”