বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কোনো দলের এত ভালো নির্বাচনি প্রিপারেশন নাই! জামায়াতের প্রিপারেশন যতটা ভালো: রুমিন ফারহানা

ফজরের নামাজ থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত এবং আসর থেকে রাত পর্যন্ত তারা প্রচারণা চালাচ্ছে। এই প্রস্তুতি তারা ১০ থেকে ১২ মাস ধরে নিচ্ছে। এখন তারা অন্য দলগুলোর ওপর পিআর ও গণভোট ইস্যু চাপিয়ে দিয়ে নির্বাচন বিলম্বিত করার কৌশল নিচ্ছে, যা রাজনৈতিকভাবে সঠিক নয়

নিউজ ডেস্ক

০৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:৩৫

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন,

“জুলাই সনদে আমাদের তিনটি জায়গায় ঘোরতর আপত্তি রয়েছে। প্রথমত, যেদিন আমরা সনদে স্বাক্ষর করেছি, সেদিন আমাদের পুরো ডকুমেন্ট সরবরাহ করা হয়নি। পরবর্তীতে ঐকমত্য কমিশনে যেসব বিষয়ে দলগুলো একমত হয়েছিল, সেগুলোর প্রতিফলন চূড়ান্ত সনদে দেখা যায়নি।”

রোববার এক বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন বিএনপির এই নেত্রী।

তিনি বলেন,

“সংবিধানের ৪(ক) অনুচ্ছেদে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অফিস-আদালতে না রাখার প্রস্তাবে ঐকমত্য কমিশনে সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছিল। একইভাবে সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদের পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তফসিল বাতিলের বিষয়ে ঐকমত্য ছিল। অথচ মূল সনদে এসব প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত অস্বচ্ছ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ।”

রুমিন ফারহানা বলেন,

“এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিএনপি নাকি জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা করে নোট অব ডিসেন্ট থেকে সরে আসবে। আসলেই কি বিএনপি সরে আসবে? আমাদের দলের অবস্থান স্পষ্ট— নোট অব ডিসেন্টের বিষয়গুলো জনগণের স্বার্থে, কোনো দলীয় সমঝোতার জন্য নয়।”

তিনি আরও বলেন,

“২৭০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করতে বলা হচ্ছে, যা নিয়ে বিএনপির আপত্তি আছে। কারণ, ঐকমত্য কমিশনে এমন কোনো আলোচনাই হয়নি। এরপরও এটি জোর করে সনদে ঢোকানো হয়েছে। বলা হচ্ছে, সংসদ নির্ধারিত সময়ে সংস্কার করতে ব্যর্থ হলে বিষয়গুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হয়ে যাবে— এমন উদাহরণ পৃথিবীর কোথাও নেই।”

বিএনপির এই নেত্রী বলেন,

“আপনি সংবিধান নিয়ে কথা বলছেন— এটি দেশের সর্বোচ্চ আইন। এই আইনের সঙ্গে কোনো বিধান, কোনো প্রজ্ঞাপন, এমনকি সংবিধানের অন্য অনুচ্ছেদও সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল বলে গণ্য হয়। এমন একটি আইন পরিবর্তন করতে হলে নির্দিষ্ট সাংবিধানিক প্রক্রিয়া মেনে চলতে হয়। কিন্তু জুলাই সনদে সেই প্রক্রিয়ার কোনো প্রতিফলন নেই।”

গণভোট প্রসঙ্গে রুমিন বলেন,

“নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট আয়োজন করলে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী অন্তত দেড় মাস সময় লাগবে এবং তিন হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হবে। তাহলে এখন থেকে ধরলে ডিসেম্বরের ১৭ তারিখের আগে গণভোট আয়োজন সম্ভব নয়। বিএনপি এই অযৌক্তিক বিলম্বের বিরোধিতা করছে, কারণ এতে নির্বাচনের সময়সূচি জটিল হয়ে উঠবে।”

জামায়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

“আমাদের দেশে যেসব রাজনৈতিক দল আছে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে আগেভাগে এবং সংগঠিত নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়েছে জামায়াতে ইসলামি। তাদের প্রার্থীরা ৩০০ আসনে প্রস্তুত। ফজরের নামাজ থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত এবং আসর থেকে রাত পর্যন্ত তারা প্রচারণা চালাচ্ছে। এই প্রস্তুতি তারা ১০ থেকে ১২ মাস ধরে নিচ্ছে। এখন তারা অন্য দলগুলোর ওপর পিআর ও গণভোট ইস্যু চাপিয়ে দিয়ে নির্বাচন বিলম্বিত করার কৌশল নিচ্ছে, যা রাজনৈতিকভাবে সঠিক নয়।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৩০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৩৯৭৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৩০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৩০