রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মাহফুজ ও আসিফের পদত্যাগ! ডিসেম্বরের শুরুতে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে, এ আলোচনায় দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও প্রার্থীতা নিয়ে চলছে গুঞ্জন ও নানাবিধ আলোচনা। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর আগে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। নির্বাচনের পূর্ববর্তী এই সময়টিতে উপদেষ্টা পরিষদের রদবদল ও সম্ভাব্য পদত্যাগ এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে […]

মাহফুজ ও আসিফের পদত্যাগ! ডিসেম্বরের শুরুতে

একসঙ্গে পদত্যাগ মাহফুজ-আসিফের, নতুন সংকেত ডিসেম্বরের শুরুতে

নিউজ ডেস্ক

০১ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে, এ আলোচনায় দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ ও প্রার্থীতা নিয়ে চলছে গুঞ্জন ও নানাবিধ আলোচনা। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর আগে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে।


নির্বাচনের পূর্ববর্তী এই সময়টিতে উপদেষ্টা পরিষদের রদবদল ও সম্ভাব্য পদত্যাগ এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।


বিশেষ করে অন্তর্বর্তী সরকারের দুই ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলমকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদেরকে ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে আখ্যা দিয়ে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। ফলে এই দুই উপদেষ্টা নির্বাচনের আগে পদ ছাড়বেন কি না, সেটি এখন রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

পদত্যাগের সম্ভাবনা ও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত


অন্তর্বর্তী সরকার ও এনসিপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দুই ছাত্র উপদেষ্টা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই পদত্যাগ করতে পারেন। একই সঙ্গে তারা আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে দুই ছাত্র প্রতিনিধি যুক্ত হন। এর মধ্যে মাহফুজ আলম প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ছিলেন, পরে উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে এনসিপি গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা নাহিদ ইসলামও উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করে দলীয় রাজনীতিতে ফিরে আসেন। সেই ধারাবাহিকতায় আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগও এখন সময়ের প্রশ্ন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

রাজনৈতিক চাপ ও অবস্থান

বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতারা ইতিমধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে কিছু উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও তারা প্রকাশ্যে কারও নাম বলেননি, তবুও রাজনৈতিক অঙ্গনে ধারণা করা হচ্ছে—ইঙ্গিতটি দুই ছাত্র উপদেষ্টার দিকেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সূত্র বলছে, গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই আসিফ ও মাহফুজকে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন। আর মাহফুজ আলমও স্বীকার করেছেন, গত কয়েক মাস ধরে পদত্যাগের বিষয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

সম্ভাব্য আসন ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

সূত্র বলছে, আসিফ মাহমুদ হয়তো কুমিল্লা-৩ নয়, বরং ঢাকা-১০ বা ঢাকার অন্য কোনো আসন থেকে নির্বাচন করবেন। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন, যদিও এনসিপির সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে মাহফুজ আলম লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা হলে তিনি বিএনপি বা এনসিপি উভয় ব্যানারেই প্রার্থী হতে পারেন। তার ভাই মাহবুব আলম ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, মাহফুজ উপদেষ্টা পদ ছাড়লে রামগঞ্জ থেকেই নির্বাচনে অংশ নেবেন।

ছাত্র উপদেষ্টাদের ভবিষ্যৎ ও এনসিপির অবস্থান

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, “যে কেউ রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে চাইলে আগে সরকারি দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করতে হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “যদি দুই ছাত্র উপদেষ্টা এনসিপিতে যোগ দিতে চান, আমরা তাদের স্বাগত জানাব।”

দলটির মিডিয়া সেল সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান, “এখনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি, তবে তারা যোগ দিতে চাইলে দলে স্বাগত জানানো হবে।”

অন্যদিকে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন মনে করেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা ও গণঅভ্যুত্থানের প্রতীক হিসেবে ছাত্র উপদেষ্টা থাকা জরুরি। তাদের পদত্যাগ সরকারের গ্রহণযোগ্যতায় প্রভাব ফেলতে পারে।”

নিরপেক্ষ নির্বাচনের বার্তা

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই আমি পদত্যাগ করব। রাজনীতিতে সক্রিয় কেউ নির্বাচনী সরকারের দায়িত্বে থাকা উচিত নয়। এতে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে চাই। এজন্য সকল রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ব্যক্তির তফসিলের আগে পদত্যাগ করা উচিত।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬০