আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নভেম্বরে গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, জাতীয় সনদে বিদ্যমান রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন ও সংস্কার বিষয়ে জনগণকে মতামত জানানোর সুযোগ দিতে গণভোট অপরিহার্য।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)-এর সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ দাবি জানান।
তিনি বলেন, “একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সহিংসতার আশঙ্কা বাড়ে। এতে গণভোট প্রক্রিয়াও ব্যাহত হতে পারে। তাই গণভোট ও ভোট আয়োজন আলাদা দিনে করাই যুক্তিসঙ্গত।”
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে জামায়াত ১৮ দফা দাবি পেশ করেছে, যেখানে প্রতিটি দফাই বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। “নির্বাচন কমিশন আমাদের প্রস্তাবগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছে এবং সহযোগিতা চেয়েছে,”—যোগ করেন তিনি।
এ সময় তিনি জানান, নির্বাচনি জোটের মধ্যেও প্রার্থীরা নিজ দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে—এমন বিধান সংযোজনের আরপিও সংশোধনকেও জামায়াত সমর্থন জানিয়েছে।
জামায়াতের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতারা। তারা কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনি পরিবেশ, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা করেন।