পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) আয়োজিত চিত্রপ্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “পল্টনে যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল আমাদের শীর্ষ নেতৃত্বকে নির্মূল করা;
বর্তমান সরকার সেই হত্যাকাণ্ডে জড়িত”—এবং তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনা যত মানুষকে হত্যা করেছেন, ততবারই তাকে ফাঁসি দেয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, ওই সময় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা মানবপ্রাচীর গঠন করে অনেককে বাঁচিয়েছেন।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, তৎকালীন ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে নানা ধরনের মামলা হয়েছিল; তবে ক্ষমতায় এসে সেই মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি সরকারের প্রতি দাবি জানান—পল্টনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত মামলাগুলো পুনরুজ্জীবিত করে বিচারের মুখে আনা হোক। সভায় অংশগ্রহণকারীরা ইতিহাসের বিচারের দাবি পুনরায় জোরালোভাবে তুলে ধরেন।
চিত্রপ্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় জামায়াতের অন্যান্য নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন এবং তারা পল্টন দিবসকে স্মরণ করে আরও শক্তভাবে হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবির আহ্বান করেন। সভা শেষে দোয়া ও মিলাদে নিহতদের স্মরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে—কয়েকটি ক্লিপ ও বক্তব্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে।
এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে; সমালোচকরা বলছেন, এমন কড়া বক্তব্য জাতীয় ঐক্য ও রাজনৈতিক সংস্কারের কর্মযজ্ঞকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অন্যদিকে নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, বিচার ও জবাবদিহি ছাড়া অতীতের অনাচার মুচলেকা মেটানো হবে না।