বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কয়েকটি রাজনৈতিক দলের চাপে সরকার দিশাহারা : মঞ্জু

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। তারা কখনো একদলকে, আবার কখনো আরেক দলকে খুশি রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের চাপে সরকার এখন দিশাহারা। তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে—এমন আস্থা রাখা কঠিন। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ সফরকালে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব […]

কয়েকটি রাজনৈতিক দলের চাপে সরকার দিশাহারা : মঞ্জু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ অক্টোবর ২০২৫, ২২:৩২

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। তারা কখনো একদলকে, আবার কখনো আরেক দলকে খুশি রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের চাপে সরকার এখন দিশাহারা। তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে—এমন আস্থা রাখা কঠিন।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ সফরকালে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা) ইয়ামিনুর রহমান ও যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন।

মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর প্রশাসনকে সঠিকভাবে পুনর্গঠন করা যায়নি। নানামুখী বিশৃঙ্খলার কারণে এখনো অনিশ্চিত—নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু হবে কি না। বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির দ্বন্দ্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কঠোর অবস্থান নিতে পারছে না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা একদলীয় ব্যবস্থা কায়েম করে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছিলেন। সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান ও প্রবীণ সাংবাদিক আবুল আসাদকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের রহস্য বছরের পর বছরেও উদঘাটন করা যায়নি। দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে অর্থনীতি ধ্বংস করা হয়েছে।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা গণঅভ্যুত্থানের পর কেউ প্রত্যাশা করেনি। রাষ্ট্রের কাছে আমাদের দাবি খুবই সামান্য—শুধু নাগরিক অধিকার ফিরে পাওয়া। মাদকাসক্ত তরুণদের নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন, চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্যে মানুষ অতিষ্ঠ। ঝিনাইদহের যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা চরমে, বিশেষ করে যশোর থেকে ঝিনাইদহ পর্যন্ত সড়কের অবস্থা অত্যন্ত করুণ।

তিনি বলেন, কে ভারতের দালাল, কে পাকিস্তানের দালাল—এসব নিরর্থক বিতর্কে জাতিকে জড়ানো হয়েছে। কে মৌলবাদী, কে নাস্তিক—এসব প্রশ্নে অযথা বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও রাজনৈতিক দলগুলো অহেতুক বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।

মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো পরিকল্পনা দিতে পারছে না। মুখস্থ বক্তব্য নয়, বাস্তবভিত্তিক ও পরিকল্পিত সমাধান এখন সময়ের দাবি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এবি পার্টির ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়, যা জনগণের কাছে সমাদৃত হয়েছে।

এখন সময় এসেছে অতীতের বিভেদ ভুলে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে সব ঝুঁকি মোকাবিলা করে জাতিকে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হবে।

সভায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান ঝিনাইদহ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ঝিনাইদহ-১ আসনে এবি যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন, ঝিনাইদহ-২ আসনে অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান এবং ঝিনাইদহ-৩ আসনে মুফতি মুজাহিদুল ইসলাম এবি পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, কেন্দ্রীয় জুলাই অভ্যুত্থান বিষয়ক সহ-সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা আহ্বায়ক আলমগীর হোসাইন, ঝিনাইদহ জেলা সদস্য সচিব নাজমুস সাদাত, মাগুরা জেলা আহ্বায়ক ইমরান নাজির ও মেহেরপুর জেলা সমন্বয়ক রফিকুজ্জামান প্রমুখ।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৭২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৩২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৭২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৭২