প্রধান বিরোধী দল Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি) আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি জোরদার করেছে। দলীয় সূত্র বলছে, রাজনৈতিক মাঠে পুরোদমে ‘নির্বাচনী মেজাজ’ গড়ে তোলা হয়েছে: বিভিন্ন আসনে স্থানীয় গণসংযোগ চলছে, ইতোমধ্যে অনেক প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছেন দলীয় শীর্ষ নেতা তারেক রহমান।
বগুড়া-১, বগুড়া-৩, বগুড়া-৪, বগুড়া-৫, মেহেরপুর-১ ও মেহেরপুর-২ আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ-স্বরূপ, বগুড়া-১-এ কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৩-এ আবদুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৫-এ জি এম সিরাজ, মেহেরপুর-২-এ আমজাদ হোসেনকে ফোন দিয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ঢাকার সদর আসনগুলোতেও—ঢাকা-১৬, ঢাকা-৮, ঢাকা-৪ ইত্যাদিতে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম উঠে এসেছে।
দলীয় শীর্ষ নেতারা বলছেন, সময়খানিক আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়াটা জরুরি ছিল। কারণ মনোনয়ন প্রস্তুতির পাশাপাশি ভোট উপযোগী মাঠ প্রসারণ ও বিশেষ করে মিথ্যা অভিযোগ, কোন্দল ও বিভাজন রুখে রাখতে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন। অনেক বিভাগ থেকে বলা হচ্ছে—ভোটের মাঠে বিভাজন ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভোটপ্রক্রিয়াকে নষ্ট করতে পারে।
তবে দলীয় তথ্য অনুযায়ী, মনোনয়ন সংশ্লিষ্ট কিছু অংশ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আসন-বিন্যাসে জোটমিত্রদের সঙ্গে সমঝোতা ও শেয়ারিং নিয়ে আলোচনা চলছে। সেই কারণে সংশোধন বা পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে—বিশেষ করে যেসব আসনে জোটমিত্রের দাবী রয়েছে।
এইভাবে, বিএনপি এখন একদিকে মাঠ প্রস্তুতি নিচ্ছে, অন্যদিকে মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় দ্রুতগতিতে কাজ করছে—মনগত প্রথম ধাপ হিসেবে একক প্রার্থী ঘোষণা করতে পারে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত না হলে দলীয় প্রস্তুতি ও জনমত প্রভাব পড়তে পারে।