বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ.লীগকে মাফ করে দিচ্ছেন, ফিরলে হাসিনার পা ধরেও মাফ পাবেন না

“ভোটের রাজনীতির চিন্তা করে যারা আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিচ্ছেন, তারা আওয়ামী লীগ ফিরলে হাসিনার পা ধরেও মাফ পাবেন না।”

নিউজ ডেস্ক

১৯ অক্টোবর ২০২৫, ১২:৫৬

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে দেশের রাজনীতির সামনের পরিস্থিতিকে নিয়ে তীব্র সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভোটের বিনিময়ে যারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দিচ্ছেন, তারা ভুল করছেন এবং এমন জনমফলে কখনওই ক্ষমার দাবি পূরণ হবে না বলে কটাক্ষ করেন।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে রাশেদ খাঁন স্পষ্ট করে লেখেন যে, ক্ষমতায় ফেরার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ দেশকে অস্থিতিশীল করতে মৌলিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তার ভাষায়, সরকার ফেরানোর জন্য তাদের পরিকল্পনা ব্যক্তিগত বদলা-সহ এমন সব অপরাধমূলক কৌশল জড়িয়ে আছে যা দেশে হরতাল, অগ্নিসংযোগ ও গুপ্তহত্যার মতো ঘটনা ঘটাবে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে, যদি তারা ফেব্রুয়ারিতে ভোটবাণচাল্য করতে সফল হয়, তাহলে দেশে একটি পুনরাবৃত্তির মতো পরিস্থিতি সৃজিত হবে,

“বাংলাদেশে আরেকটি ১/১১ ছাড়া আর কোনোভাবে আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ নেই।”

রাশেদ খাঁন আরও জানান,

“শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগ অগ্নিসংযোগের পথ বেছে নিয়েছে। সামনে তারা গুপ্তহত্যা শুরু করবে।”

তিনি বলেন, এ বিপজ্জনক পরিকল্পনা রোধে সংগঠিত প্রতিরোধই একমাত্র সমাধান। তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান এবং সতর্ক করেন যে, বিভক্ত হয়ে থাকলে সহজেই ফেরানো যাবে দেশের ভেতর থেকে কোনো শক্তিকে, যা তৃতীয় পক্ষের আধিপত্য বাড়াবে।

রাশেদ খাঁন তার পোস্টে বিশেষভাবে সনাক্ত করে বলেছেন যে, ভোটের রাজনীতি মাথায় রেখে যারা ইতিহাসকে উপেক্ষা করে ক্ষমা প্রার্থনা করে অথবা ক্ষমতাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে, তাদেরকে তিনি সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—আওয়ামী লীগ যদি ফিরে আসে তাদের তদবির বা পাপচিহ্নে কোন রেহাই মিলবে না। তার কথায়,

“ভোটের রাজনীতির চিন্তা করে যারা আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিচ্ছেন, তারা আওয়ামী লীগ ফিরলে হাসিনার পা ধরেও মাফ পাবেন না।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাশেদ খাঁনের এই বিবৃতি বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণের কাছে একটি শক্তিশালী সংগঠিত প্রতিবাদের আহ্বান হিসেবে বোধ করা যেতে পারে। তাদের মতে, যদি এই ধরনের সতর্কবার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনে গৃহীত হয় এবং বাস্তব কর্মসূচিতে রূপান্তরিত হয়, তাহলে তা সমগ্র রাজনীতির গতিপথকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকেরা মনে করেন, এমন ভাষা উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং বিনিময়ে গৃহীত পদক্ষেপকেও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

রাশেদ খাঁনের ফেসবুক পোস্ট দেশের নাগরিক সমাজে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে এর প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি শেষাংশে আবারও নাগরিকদের একজোট থাকার বার্তা দিয়ে বলেন, ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকা সময়ের দাবি এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তিকে সুযোগ করে দেয়া যাবে না। তাঁর এই কল দেশজুড়ে রাজনৈতিক ঝটিকা তৈরি করেছে এবং আগামী সময়ে রাজনৈতিক আন্দোলন পরিচালনার কৌশলকেই নতুন ভাবনায় প্ররোচিত করছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৯

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৯