শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমরা চাই সেনাবাহিনী সকল ধরনের কলুষিত অবস্থা থেকে মুক্ত থাকুক : সারজিস

আমরা চাই সেনাবাহিনী সকল ধরনের কলুষিত অবস্থা থেকে মুক্ত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনা শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সারজিস আলম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে সম্ভবত ২৫ জন অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। আমরা মনে করি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী […]

আমরা চাই সেনাবাহিনী সকল ধরনের কলুষিত অবস্থা থেকে মুক্ত থাকুক : সারজিস

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:১১

আমরা চাই সেনাবাহিনী সকল ধরনের কলুষিত অবস্থা থেকে মুক্ত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনা শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সারজিস আলম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে সম্ভবত ২৫ জন অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে। আমরা মনে করি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। এবং এই প্রতিষ্ঠানে উচিত তাদের জায়গা থেকে ইন্টিগ্রিটি, ডিগনিটি, এবং স্বতন্ত্র থাকা বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন। আমরা এই প্রতিষ্ঠানটিকে সবসময় মর্যাদা পূর্ণ অবস্থানে দেখতে চাই। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানের কিছু অফিসারকে ব্যবহার করে খুনি হাসিনা এবং তার পুরো সরকার বিগত সময়ে অসংখ্য খুন গুম ও বিচারবহিত হত্যা এগুলো ঘটিয়েছে।

তিনি বলেন, আয়না ঘরের অসংখ্য নির্মমতা আমরা দেখেছি। আমরা দেখেছি যে শুধুমাত্র একজন অফিসার ১০৩০ জনকে হত্যা করেছে। যেটি ট্রাইব্যুনাল থেকে এসেছে। এরা এক ধরনের সিরিয়াল কিলার। এ সকল সিরিয়াল কিলাররা কে কোন পদে, কোন প্রতিষ্ঠানে আছে তা দেখার বিষয় না। এ সকল সিরিয়াল কিলারদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা আহ্বান করবো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের জায়গা থেকে এই সিরিয়াল কিলারদের দায়ভার গ্রহণ করবে না। এবং তাদেরকে যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যেভাবে হস্তান্তর করা দরকার, বিচারক প্রক্রিয়ায় তারা সহযোগিতা করবে। আমরা চাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকল ধরনের কলুষিত অবস্থা থেকে মুক্ত থাকুক। এবং যারা এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, তারা যে পদেই থাকুক, যে প্রতিষ্ঠানেই থাকুক, তাদের সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম একটা ব্যর্থতা হচ্ছে, তারা এই ফ্যাসিস্ট কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি ভাবে সম্পৃক্ত যে ব্যক্তিরা ছিল তাদেরকে উচ্ছেদ করতে পারেনি। বরং তারা এখন ধীরে ধীরে পুনর্বাসিত হচ্ছে। আপনি যখন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি, তারা এখনো তাদের পদে রয়েছেন। তার মানে অলরেডি পুনর্বাসিত রয়েছেন।

তিনি বলেন, আমাদের এই লড়াইটা দীর্ঘ এবং চালিয়ে যেতে হবে। আমরা অনুরোধ করবো সকল রাজনৈতিক দলকে এমনকি এনসিপিও এটার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। আমরা যখন এটা বলি তখন অনেকে বিএনপি এবং জামায়াতের মনে করে। আমি মনে করি সকল রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব এটা তাদের জায়গা থেকে, যেন কোন সিস্টেমে, কোন কিছুর বিনিময়ে, কোন নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে যেন ফ্যাসিস্ট কাঠামোর সাথে সম্পৃক্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রশ্রয় না পেয়ে যায়। আমরা বিশ্বাস করি, যদি এটা আমরা করতে পারি তাহলে আমাদের জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

‘সেফ এক্সিট’ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম বলেন, ‘আপনারা সেফ এক্সিট বলতে যেভাবে বুঝছেন, বিষয়টি ঠিক তেমন নয়। আমরা বলতে চাচ্ছি, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে যে ফ্যাসিস্ট সরকারকে পতন করা হয়েছে, সেই খুনি ও পতিত সরকারের রাঘববোয়ালদের বিচারের মুখোমুখি না করে যেন কেউ সেফ এক্সিট নিতে না পারে। জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি না দিয়ে কারও এক্সিট নেই। এই সনদ বাস্তবায়ন করা বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।’

নির্বাচন নিয়ে এনসিপির অবস্থান প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, ‘আমরাও মনে করি দ্রুত নির্বাচন হোক। যারা অভ্যুত্থানের চেতনায় সংস্কারের জন্য কাজ করবে, বিচারিকপ্রক্রিয়াকে অব্যাহত রাখবে এবং বাংলাদেশের পরিবর্তনের জন্য কাজ করবে- আমরা তাদের সঙ্গে নির্বাচনী জোটে যেতে পারি। তবে জোট হলেও এনসিপি অন্য কোনো দলের মার্কা বা নামে নির্বাচন করবে না। শাপলা প্রতীকেই নির্বাচন করবে।’

শাপলা প্রতীক না পেলে এনসিপির অবস্থান কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে সারজিস বলেন, ‘আমরা আশা করছি, শাপলা প্রতীক আমরা পাবই এবং আগামী নির্বাচনে শাপলা প্রতীক নিয়েই অংশ নেব।’

পরে সারজিস আলম নেত্রকোনা জেলা ও উপজেলা এনসিপির সমন্বয় কমিটির নেতাদের সঙ্গে একই স্থানে সমন্বয় সভায় অংশ নেন। এ সময় দলের ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকিন আলম, কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) প্রীতম সোহাগ, কেন্দ্রীয় সদস্য ফাহিম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৪৮

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭২

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭২