বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

৭১ এ দেশ আলাদা হয়েছে, স্বাধীন হয়েছে ৪৭ সালে : ফয়জুল করীম

মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ভাষায় কারণে দেশ ভাগ হয়নি, এ দেশ ভাগ হয়েছে মুসলমানদের জন্য। ৪৭ সালে মুসলমানদের জন্য এই দেশ স্বাধীন হয়েছিল। ৭১ এ দেশ আলাদা হয়েছে। যার কারণে লাল সবুজের পতাকা উড়াতে সক্ষম হয়েছি আমরা। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে “স্বাধীনতার পথরেখা – ৪৭,৭১, ২৪ প্রেক্ষিত আগামীর বাংলাদেশ” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি […]

৭১ এ দেশ আলাদা হয়েছে, স্বাধীন হয়েছে ৪৭ সালে : ফয়জুল করীম

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:৪১

মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ভাষায় কারণে দেশ ভাগ হয়নি, এ দেশ ভাগ হয়েছে মুসলমানদের জন্য। ৪৭ সালে মুসলমানদের জন্য এই দেশ স্বাধীন হয়েছিল। ৭১ এ দেশ আলাদা হয়েছে। যার কারণে লাল সবুজের পতাকা উড়াতে সক্ষম হয়েছি আমরা।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে “স্বাধীনতার পথরেখা – ৪৭,৭১, ২৪ প্রেক্ষিত আগামীর বাংলাদেশ” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ৪৭ সালে মুসলমানদের জন্য এই দেশ স্বাধীন হয়েছিল। ৭১ এ আমরা পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়েছি কিন্তু স্বাধীন হয়েছি ৪৭ সালে। ৪৭ সালে দেশ স্বাধীন না হলে কেয়ামত পর্যন্ত আন্দোলন করেও লাল সবুজের পতাকা পাওয়া সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি আপনার আদর্শ লালন করবেন ততক্ষণ কেউ আপনাকে শোষণ করতে পারবে না। যখনই আপনি আপনার আদর্শ ছেড়ে দিবেন তখনই রাশিয়া, আমেরিকা, চীন ও ভারত তাদের আদর্শ আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে।

আমরা ২৪ এর গনঅভ্যুত্থানের পর আমরা আর কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তির গোলামী করবো না ইনশাআল্লাহ। হিন্দুরা হিন্দুদের ধর্ম পালন করবে এবং মুসলমানরা মুসলমানদের ধর্ম পালন করতে পারবে এটাই হচ্ছে স্বাধীনতা। সুতরাং রাষ্ট্রের দায়িত্ব সবার ধর্ম পালনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

৭১ পরবর্তী যারাই এদেশ শাসন করেছে তারা কেওই ইসলামকে বাস্তবায়নের চিন্তা করেনি। ২৪ পরবর্তী সময়ে আমরা এদেশে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে চাই। ইসলামের মধ্যেই রয়েছে মুক্তি, এর বাইরে মুক্তি সম্ভব নয়। আজকে যারা ক্ষমতায় যেতে চায় তারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলছে। মুসলমানদের চেতনাকে ধ্বংস করতে পারলে এই দেশে মুসলমানদের স্বাধীনতা থাকবে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, ভারত ৭১ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের মাধ্যমে ২৩ বছর শাসন করেছে। এই ভূখণ্ড আমরা ৪৭ এই পেয়েছি। ৪৭ থেকে ২৪ পর্যন্ত সকল শাসকের মনস্তাত্ত্বিক কালচার এবং চিন্তা ছিল উপনিবেশিক।

এই উপনিবেশিক চিন্তার শাসকদের জন্য আজ পর্যন্ত আমরা প্রকৃত স্বাধীনতা পাই নাই। গত ১৫ বছর মূলত ভারতই আওয়ামী লীগের মাধ্যমে শাসন করেছে। ২৪ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারত অন্য একটি গোষ্ঠীর মাধ্যমে শাসন চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিএনপি-আওয়ামী লীগের সিলসিলা ধরে রেখেছে। শেখ হাসিনা যে ভাষায় কথা বলতো বিএনপিও সেই ভাষাতেই কথা বলছে ।

বিএনপি ইসলামি শক্তিকে ভয় পায়। ৭২ এর সংবিধানে প্রথম আঘাত করেছিলেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। শেখ হাসিনা যেভাবে ইসলামপন্থীদের আঘাত করতো বিএনপি আজ সেই একই ভাষায় আঘাত করছে। ৭২ এর সংবিধান বহাল রেখে ২৪ এর চেতনাকে হত্যা করা হচ্ছে।

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদের সভাপতিত্বে বিভিন্ন ভ্রাতৃপ্রতিম যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৩০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৩০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৩০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৭২