বিমানবন্দরে জনদুর্ভোগ ও অতিরিক্ত ভিড় সৃষ্টি করার অভিযোগে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি এমএ মালিককে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করেছে দলটি। বুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে প্রেরিত এক চিঠিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। বিএনপির একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এমএ মালিক বিদেশ থেকে দেশে আসা কিংবা দেশ ছাড়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে বিপুল সংখ্যক লোকসমাগম ঘটান। এতে শুধু ভ্রমণকারী সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হন না, বরং বিমানবন্দরের ভেতর-বাইরে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়। চিঠিতে বলা হয়, তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড অপরিণামদর্শী এবং অবিবেচনাপ্রসূত, যা দলের সাংগঠনিক নীতি ও শৃঙ্খলার পরিপন্থি।
বিএনপির ভাষ্য অনুযায়ী, মালিক এর আগে একাধিকবার বিমানবন্দরে অতি মাত্রায় লোকসমাগম ঘটিয়ে আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি করেছেন। এতে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায় এবং জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে তার এ ধরনের আচরণ অগ্রহণযোগ্য এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, ভবিষ্যতে দেশে আসা বা বিদেশে যাওয়ার সময় যদি এমএ মালিক আবারও বিমানবন্দরে এমন ভোগান্তি সৃষ্টি করেন, তবে বিএনপি তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন এমএ মালিক। সেদিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাজারো নেতাকর্মী ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও স্লোগান দিয়ে তাকে বরণ করে নেয়। পরে বুধবার বিকালে বিমানে করে সিলেটে গেলে ওসমানী বিমানবন্দরেও একই ধরনের জনসমাগম ঘটে। দলের ভেতরে-বাইরে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে।