শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ. লীগকে পুনর্বাসনের রাজনীতি বিএনপির জন্য কাল হবে : নাহিদ ইসলাম

আওয়ামী লীগকে পুর্নবাসন করার রাজনীতি বিএনপি যদি গ্রহণ করে থাকে, সেই রাজনীতি বিএনপির জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলার প্রতিবাদে জরুরি এ সংবাদ সম্মেলনের […]

আ. লীগকে পুনর্বাসনের রাজনীতি বিএনপির জন্য কাল হবে : নাহিদ ইসলাম

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৯:৪৪

আওয়ামী লীগকে পুর্নবাসন করার রাজনীতি বিএনপি যদি গ্রহণ করে থাকে, সেই রাজনীতি বিএনপির জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলার প্রতিবাদে জরুরি এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, একদিকে যেমন আওয়ামী লীগ তৎপরতা চালাচ্ছে, ষড়যন্ত্র করছে, সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছে; অন্যদিকে দেশের কোনো কোনো রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার ষড়যন্ত্র করছেন।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার অথবা আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করার কোনো সুযোগ নেই। যারা এটা করার চেষ্টা করবে জনগণ তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। তাদের রাজনীতি বাংলাদেশ থেকে নাই হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে পুর্নবাসন করার রাজনীতি বিএনপি যদি গ্রহণ করে থাকে, সেই রাজনীতি বিএনপির জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে। বিএনপিকে আওয়ামী লীগের পুর্নবাসনের পরিবর্তে বাংলাদেশ পুর্নগঠনে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। তাহলে বিএনপি তরুণদের সাপোর্ট পাবে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্ট বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তাদের রায় জানিয়ে দিয়েছিল। সেই রায়টি ছিল বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ এবং মুজিববাদীদের কোনো রাজনীতি থাকবে না। তারা যে অপকর্ম করেছে বাংলাদেশে সেজন্য তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

রাজনৈতিক দলগুলোকে আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব রাজনৈতিক পক্ষকে এই আওয়ামী লীগ প্রশ্নে, মুজিববাদ প্রশ্নে আমরা সবাই যেন এক থাকি। বিচারের মাধ্যমে আমরা যাতে তাদের রাজনৈতিক ফয়সালা করতে পারি। আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনে ষড়যন্ত্র করা, দেশকে অস্থিতিশীল করার সব ষড়যন্ত্র আমরা যাতে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে পারি।

তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ তার বিভিন্ন তৎপরতা চালাচ্ছে। এর আগে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাদের উপর হত্যার নীলনকশা নিয়ে যে আক্রমণ, সে আক্রমণ আমরা দেখেছি। উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের নেতা মাহফুজ আলম এর আগে যখন লন্ডন-আমেরিকায় গিয়েছেন তখন তার উপর হামলা করার চেষ্টা করা হয়েছে।

এবং তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল আমরা দেখেছি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হিসেবে তিনটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়ার সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির সংগ্রামী সদস্য সচিব আখতারে হোসেন এবং এনসিপির নেত্রী ড. তাসনিম জারাকে লক্ষ্য করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীরা হামলা করে।

আমরা সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা করে বলতে চাই, এই ক্রমাগত হামলা ষড়যন্ত্র এবং অপতৎপরতা চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের উপর আক্রমণ হয়েছিল তখনও আমরা বলেছিলাম যে, গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের টার্গেট করা হচ্ছে এবং এই ঘটনাগুলোর সঙ্গে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা জড়িত। ভেতর থেকে এই ইনফরমেশনগুলো লিক করা হয়।

সরকার এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেই ব্যবস্থাগুলো যথাযথ ছিল না বলেই গতকালের ঘটনাগুলো ঘটে। আমরা এর নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সরকার এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে জবাবদিহিতা চেয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ড. ইউনূস তার সফরসঙ্গী হিসেবে রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে গেলেন, সেখানে আমাদের যাওয়ার কথা ছিল না। প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানেই আমরা রাজি হয়েছিলাম। সেখানে তাদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা এবং সম্মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব ছিল সরকার এবং প্রশাসনের। কিন্তু সেটি করতে তারা ব্যর্থ হয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২০