সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগ মারেনি, মেরেছে শিবির বাহিনী: নিলুফার মনি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবরার ফাহাদকে যারা হত্যা করেছে, সেটার নেপথ্যে সরাসরি নড়াচড়া করছে ছাত্রশিবির, যাদের তিনি ‘হেলমেট বাহিনী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:১৩

বৃহস্পতিবার রাতে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টকশোতে অংশ নিয়ে বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক এমপি নিলুফার চৌধুরী মনি যে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন, তা রাজনীতির মঞ্চে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তিনি বলেছে যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবরার ফাহাদকে যারা হত্যা করেছে, সেটার নেপথ্যে সরাসরি নড়াচড়া করছে ছাত্রশিবির, যাদের তিনি ‘হেলমেট বাহিনী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এই অভিযোগটা শুধু ব্যক্তিগত কটাক্ষ নয়; এটি একটি রাজনৈতিক রূপরেখা নির্দেশ করছে যেখানে ক্ষমতার ছায়ায় এক সংস্থার আগ্রাসী ও সহিংস ভূমিকা নিয়ে খোলাখুলি প্রশ্ন উঠছে।

নিলুফার চৌধুরী মনি টকশোয় আরও জোর দিয়েছেন—বর্তমান সরকারের সুশাসনের উপস্থাপনা ভাসমান কাগজের নৌকার মতো, কারণ তার কথায় সরকার আজ জামায়াত দ্বারা পরিবেষ্টিত একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন। তিনি যে পরামর্শ দিয়েছেন, তা সরল অভিযোগ নয়; এতে সমগ্র রাজনীতির অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক ও ক্ষমতার জটিলতা চিহ্নিত হচ্ছে—কীভাবে শিক্ষাকেন্দ্রিক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রাজনৈতিক-আইনজীবী নেটওয়ার্ক, ক্ষমতার ছোঁয়া এবং সংঘর্ষ প্রবণ সাংগঠনিক বাহিনী একযোগে কাজ করে।

ঘটনাটির প্রেক্ষাপট অতীতেও দেখা যায়। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বুয়েট শেরেবাংলা হল থেকে আবরার ফাহাদের লাশ উদ্ধারের পর থেকে মামলাটি সমাজের চোখে ছিলো এক টেস্ট কেস। তদন্তে বুয়েটের ২৫ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ সেই মামলায় ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন দণ্ড দেয়; এরপর হাইকোর্ট ওই রায় বহাল রেখেছে। আইনগত প্রতিক্রিয়া থাকলেও রাজনৈতিক আঙ্গিকে এই হত্যাকাণ্ডকে কারা বা কোন সংগঠন কাজে লাগিয়েছে—সে প্রশ্ন এখন নতুন করে জনবান্ধব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠছে।

টকশোয় নিলুফার চৌধুরী মনি যে কোর্ট-সংযুক্ত তথ্য ও ব্যক্তিগত দাবিগুলো তুলে ধরেছেন, তা অনুসন্ধান ও প্রমাণের দাবি রাখে। তিনি একই সঙ্গে আসামিদের আইনজীবীদের নাম উল্লেখ করে ইঙ্গিত করেছেন যে বিচার-প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব অথবা সম্পর্কের একটি জটিল চেইন কাজ করছে। এই ধরণের অভিযোগ যে কেবল শব্দের যুদ্ধ নয়, তা স্পষ্ট—এগুলো বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাকে নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করে।

এ সময় পুলিশি তদন্ত, আদালত ও রাজনৈতিক দলগুলো যদি বিষয়টিকে কৌশলে নিরপেক্ষভাবে না দেখেন, তাহলে শিক্ষাঙ্গন নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও ছাত্রসমাজের মুক্ত বোধ বিপন্ন হবে। যারা মেধাবী তরুণদের হত্যাকাণ্ডকে রাজনৈতিক বা বাহিনিবদ্ধ সংঘর্ষের অংশ হিসেবে দেখছেন, তাদের জন্য এখন প্রশ্ন আছে—রাষ্ট্র কতটা নিরপেক্ষভাবে এই ঘটনার গোড়া-খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখছে? বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক সশস্ত্রতা অথবা বাহিনীর উপস্থিতি বন্ধ করতে কেন দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না?

আজকের আবহে, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা শুধু বিচারের বিষয় নয়; এটি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, ছাত্ররাজনীতি ও বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতার উপর অভূতপূর্ব প্রভাব ফেলে। নিলুফার চৌধুরী মনির অভিযোগ যদি তদন্তে দাঁড়ায় এবং প্রমাণিত হয়, তাহলে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যে অশান্তির বীজ বোনা হয়েছে, সেটার দায় ও জবাবদিহি চাইবে—কেবল দণ্ডবিধির আওতায় নয়, রাজনৈতিক সংস্কার ও বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তার কাঠামো পাল্টানোর মাধ্যমে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১২০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৮৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৮৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১৮৩