বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশ চালাচ্ছে জামায়াত, এমনকী এই সরকার জামায়াত-এনসিপির : শামীম পাটোয়ারী

জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে জামায়াতের কথা বলাটা দুঃখজনক। তারা নির্বাচন পেছাতেই জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে চায়। এমনকী দেশ এখন জামায়াত চালাচ্ছে, তাই নির্বাচন পেছালে তারা নিজেদের আরো শক্তিশালী করতে পারবে। এই সরকার জামায়াত-এনসিপির সরকার। — সম্প্রতি একটি টক শোতে হাজির হয়ে এসব কথা বলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। […]

দেশ চালাচ্ছে জামায়াত, এমনকী এই সরকার জামায়াত-এনসিপির : শামীম পাটোয়ারী

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:৫৩

জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে জামায়াতের কথা বলাটা দুঃখজনক। তারা নির্বাচন পেছাতেই জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে চায়। এমনকী দেশ এখন জামায়াত চালাচ্ছে, তাই নির্বাচন পেছালে তারা নিজেদের আরো শক্তিশালী করতে পারবে। এই সরকার জামায়াত-এনসিপির সরকার।

— সম্প্রতি একটি টক শোতে হাজির হয়ে এসব কথা বলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘যখন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি উঠলো তখন জামায়াত কিছু বলেনি। যদিও জামায়াতের প্রচন্ড সমর্থন থাকতে পারে, এটা দুঃখজনক যে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সময় জামায়াত কিছু বলেনি। কিন্তু জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের সময় জামায়াত স্পষ্ট কথা বলছে।

জামায়াতের জীবনের প্রথম ভোট স্বাধীন বাংলাদেশে এরশাদ স্যারের আমলে ১৯৮৬ সালে জামায়াত পার্টিসিপেট করে এবং জাতীয় পার্টি কখনো জামায়াতের ব্যানের পক্ষে তো বলেইনি, বিপক্ষেই বলেছে। জিএম কাদেরও স্পষ্ট বলেছে। এই কিছুদিন আগেও গত বছর যখন জামায়াত ব্যান করা হলো শেখ হাসিনার আমলের শেষের দিকে, জিএম কাদের স্পষ্ট বলেছে এভাবে কোন দল ব্যান করা যায় না।’

প্রতিপক্ষকে নিষিদ্ধ করা গণতন্ত্র বলে নয় উল্লেখ করে শামীম পাটোয়ারী বলেন, ‘গণতন্ত্র মানে তো এইটা না যে সাতটি দল মিলে দুটি দল ব্যান করে দেবে।

ভোটের আসনগুলো ভাগাভাগি করে নেবে। গণতন্ত্র মানে তো হচ্ছে আপনি নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে। নির্বাচনের আগেই যদি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আপনি রূপরেখা তৈরি করতে চান তাহলে কিন্তু এটা এক ধরনের বড় মাপের স্বৈরাচারী আচরণ এবং এটাই বাংলাদেশে সবসময় প্রবলেম ছিল। ১৪, ১৮, ২৪ ওই ধরনের নির্বাচন ছিল যেটা আগে থেকেই ফলাফল নির্ধারণ ছিল।

সেটার বিরুদ্ধেই তো মানুষ জেগে উঠলো। মানুষ সেটার প্রতিবাদ করল, তারা পালিয়ে গেল। নতুন রিজিম আসলো। এখন নতুন ধারায় যারা এসে তাদের একাংশ যদি আবার সেই নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, জাতীয় পার্টি বাদ, আওয়ামী লীগ বাদ, জাসদ বাদ, আরো অনেকে বাদ, তাহলে ভোট হবে কিভাবে?’

অন্তবর্তী সরকারকে জামায়াত-এনসিপির সরকার উল্লেখ করে শামীম বলেন, ‘আমি মনে করি জামায়াত এই মুহূর্তে ৫৫ বা ৫৪ বছরে স্বাধীন বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে আছে এবং সবচেয়ে রেসপন্সিবল এটিচিউডটা তাদেরকে করতে হবে। শক্তিশালী অবস্থান মানে এই না যে আমি আরেকটি দলকে ব্যান করে আমার পলিটিক্যাল সুবিধা করে নেব। আর শক্তি জানান রাজপথে দিতে পারে।

সরকারটাই তো তাদের। এই সরকার জামায়াতের সরকার, এই সরকার এনসিপির সরকার। নিজের সরকারের বিরুদ্ধে কেউ আন্দোলন করে নাকি? সরকার যদি ব্যান করার প্রয়োজন মনে করতো, তাহলে ব্যান করতো। আমার মনে হয় তাদের শক্তি প্রয়োগ বিএনপিকে চাপে ফেলানো, বিএনপিকে কোন কিছুতে বাধ্য করার চেষ্টা করা। পুরো জিনিসটাই ঘোলাটে এবং ইলেকশনকে পিছিয়ে দেয়া সবচেয়ে বড় হচ্ছে এই মুহূর্তে দেশের যে কাঠামো সেখানে জামায়াত খুবই কমফর্টেবল।

ভিসি তাদের ডিসি তাদের, ছাত্র সংসদে তাদের ভোট ভালো হচ্ছে। দেশ চালাতে জামায়াতের কোন অসুবিধা হচ্ছে না। সুকৌশলে তারা চাঁদাবাজি বা অন্য বিষয় থেকে নিজেদেরকে দূরেও রাখতে পেরেছে। তো এই মুহূর্তে যত ভোট দেরি হবে জামায়াত তত তার গ্রিপটাকে স্ট্রং করতে পারবে। তো অমুক দল ব্যান করে দাও, পিআর আনো- এগুলো করে ভোটটাকে নষ্ট করে দেওয়া ও ভোট পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০