বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে সার্বিক-সর্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবার বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শিগগির দেশে ফিরবেন। রোববার সন্ধায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করিডোরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিকাল চারটা ২২ মিনিট থেকে ৬ টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা (অব) লে.জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে প্রায় ২ ঘন্টা বৈঠক করেন। বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত […]

তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে সার্বিক-সর্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২২:৪৯

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবার বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শিগগির দেশে ফিরবেন।

রোববার সন্ধায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করিডোরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে বিকাল চারটা ২২ মিনিট থেকে ৬ টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা (অব) লে.জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে প্রায় ২ ঘন্টা বৈঠক করেন।

বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সার্বিক ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে বলে সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষে বিশেষ সহকারী খোদাবক্স চৌধুরী, সরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি ও পুলিশের আইজি বাহরুল আলম উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাবেক সিনিয়র সচিব কামরুজ্জাম, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, সর্বপ্রথম মহান আল্লাহর শোকরিয়া জ্ঞাপন করছি। সাড়ে সতের বছর পর মহান আল্লাহ আমাকে নির্দোষ হিসাবে জেলখানা থেকে বের হওয়ার তওফিক দিয়েছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল(বিএনপি) থেকে একটি টিম করা হয়েছে, সেই টিমে সাবেক সিনিয়র সচিব কামরুজ্জামান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মাহববুর রহমান এবং আমি আছি। আরও একজন আছেন তিনি আজ এই বৈঠকে আসতে পারেননি।

বাবার বলেন, কিছু কিছু বিষয়ে উদ্বিঘ্ন হওয়ার প্রেক্ষিতে আজ আমরা এখানে এসছি। আন্তরিক ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে আমরা আমাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং তার মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেছি।

দেশে বর্তমান অন্তর্বতী সরকার এই সরকারকে সাহায্যের জন্য আমরা এখানে এসেছি। উদ্বেগের জায়গুলো আমরা তাদের কাছে বলেছি। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাও আমাদের উদ্বেগের বিষয়ের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।

কী কী বিষয়ে আপনারা উদ্বিঘ্ন এমন প্রশ্নে বাবর বলেন, পতিত সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। তিনি দেশের একটি শিল্পগোষ্ঠি এস আলম গ্রুপের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের বৈঠক করেছেন। তিনি গভীর ষড়যন্ত্র করছেন।

ভারতে বসে তারা যে ষড়যন্ত্রমূলক মিটিং করেছে সে বিষয়ে ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ওই মিটিংয়ের উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশের দেশের নির্বাচন বানচাল করা। নির্বাচনে বিভিন্ন সংঘাত সহিংসতা ঘটানো, এটি উদ্বিঘ্ন হওয়ার একটি কারন। এ বিষয়টি সরকারকে অবহিত করেছি। আরও অনেক কিছু আলোচনা করেছি যেমন, বিভিন্ন ধরণের অবৈধ অস্ত্র এবং পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

যেহেতু অবৈধ ও লুট হওয়া সম্পূর্ণ উদ্ধার হয়নি সুতরাং এটা আমাদের আরেকটি উদ্বেগের জায়গা। সে বিষয়ে কথা হয়েছে। আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আরেকটি বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি সেটা হলো-সরাসরি এএসআই নিয়োগের বিষয়ে। কারণ কনস্টেবল থেকে পদোন্নাতি পেয়ে এএসআই, এসআই এবং পরিদর্শক পর্যন্ত হতে পারে।

এসআই থেকে সর্বোচ্চ ডিআইজি পর্যন্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এসপি থেকে আইজি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সরাসরি এএসআই নিয়োগের উদ্যোগে কনস্টেবলরা উদ্বিঘ্ন। তাদের পদোন্নতি কিভাবে হবে সে বিষয়ে তারা চিন্তিত। সে বিষয়টিও সরকারকে অবহিত করেছি।

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসাবে আপনি কি মনে করছেন দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল এমন প্রশ্নে বাবর বলেন, সরকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল করার জন্য আন্তরিকভাবে যথেষ্ট চেষ্টা করছেন।

তারেক রহমানের দেশের ফেরা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, তিনি শিগগিরই ফিরবেন, দ্রুত ফিরবেন-ইনশাআল্লাহ। দোয়া করেন।

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্ট (অব) লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, আমি স্যারের(লুৎফুজ্জামান বাবর) সঙ্গে তিন বছর চাকরি করেছি। আমি স্যারের অধীনে চাকরি করেছে। তার সঙ্গে আমার অনেক আগ থেকেই পরিচায়। আজ এখানে একটি সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছেন। সৌজন্য সাক্ষাতে পারিবারিকস বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আলোচনার মধ্যে রাষ্ট্রীয় দু’একটা বিষয় চলে এসেছে তবে সেগুলো তেমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না।

এর আগে বিকেল ৪ টা ২২ মিনিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০১০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৭৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৭৮

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৭৮