শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নির্বাচনে একবারের জন্য আমাদের ক্ষমতায় এনে পরীক্ষা করুন,যদি ফেল করি আর কোনোদিন হলে আসব না : ফয়জুল করীম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, ৫৩ বছরে নৌকা, ধানের শীষ ও নাঙ্গলকে পরীক্ষা করেছেন। ওদেরকে বারবার পরীক্ষা করেছেন, বারবার ফেল করেছে। জিয়াউর রহমানকে, সত্তার সাহেবকে, খালেদা জিয়াকে পরীক্ষা করেছেন। ফেল করেছে। আপনাদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি। একটা বার আপনারা আমাদের পরীক্ষা করেন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের জানমাল রক্ষা করতে […]

নির্বাচনে একবারের জন্য আমাদের ক্ষমতায় এনে পরীক্ষা করুন,যদি ফেল করি আর কোনোদিন হলে আসব না : ফয়জুল করীম

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:১৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, ৫৩ বছরে নৌকা, ধানের শীষ ও নাঙ্গলকে পরীক্ষা করেছেন। ওদেরকে বারবার পরীক্ষা করেছেন, বারবার ফেল করেছে। জিয়াউর রহমানকে, সত্তার সাহেবকে, খালেদা জিয়াকে পরীক্ষা করেছেন। ফেল করেছে।

আপনাদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি। একটা বার আপনারা আমাদের পরীক্ষা করেন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের জানমাল রক্ষা করতে সক্ষম হব।

তিনি বলেন, ‘আমরা পরীক্ষায় পাস করব। আর যদি ফেল করি আর কোনোদিন পরীক্ষার হলে আসব না। আর আগামীতে সম্মিলিত ইসলামী জোটগুলোর পক্ষ থেকে যদি ঐক্যবদ্ধভাবে একটি ভোট বাক্স দিতে পারি তাহলে শিয়ালরা এদেশ থেকে পালাতে বাধ্য হবে।’

আগামীতে ইসলামী শক্তিকে ক্ষমতায় আনার জন্য সবাইকে কাজ করার অনুরোধ করেন এই নেতা। শবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাগেরহাট শহরের রেলরোড চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী সীমানা নিয়ে চলমান আন্দোলন ও বাগেরহাটবাসীর দাবির প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব। আপনি যেভাবে ভাগ করেছেন, এই অঞ্চলের জনগণ এইভাবে ভাগ চায় না।আপনি ভাগ করেছেন জনগণের স্বার্থের জন্য, যেখানে জনগণের স্বার্থ বিপন্ন হবে সেই ভাগ কোনোভাবে ঠিক হবে না। কাজেই জনগণ যেইভাবে চায়, সেভাবে ভাগ করতে হবে।’

এ সময় চারটি আসন ফিরিয়ে দেয়ার অনুরোধ করেন তিনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাগেরহাট জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মো. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) মুফতি মোস্তফা কামাল, ইসলামী আইনজীবী

পরিষদের সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ আতিয়ার রহমান, জেলা জামায়েতের আমির মাও, রেজাউল রকিম, নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আমিরুল ইসলাম সিদ্দিকি, হেফাজত ইসলামের সভাপতি মাওলানা আব্দুল মাবুত, কেন্দ্রীয় যুবনেতা মাওলানা আবু বকর, ইসলামী

আন্দোলনের জেলা সহ-সভাপতি ফকির শহিদুল ইসলাম, মাও. ফারুক হোসাইন, সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুফতি নূরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইউসুফ ইকবাল, ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ এর জেলা সভাপতি মাও. শাহজালাল সিরাজী, শিক্ষক ফোরামের সভাপতি মাওলানা আবু মুসা গাজী, যুবনেতা মুফতী তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে দলটির অন্যতম শীর্ষ নেতা মুফতি মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বাগেরহাটের চারটি আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।

প্রার্থীরা হলেন, বাগেরহাট-১ আসনে মোল্লা মুজিবর রহমান শামীম, বাগেরহাট-২ আসনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ আতিয়ার রহমান, বাগেরহাট-৩ আসনে অধ্যক্ষ শেখ জিলুর রহমান ও চার আসনে মাওলানা ওমর ফারুক নূরী।

ইসলামী আন্দোলনের এ গণসমাবেশে দলটির বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। দুপুরেই রেল রোড চত্বর নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে কানায় কানায় কানায় ভরে যায়। সমাবেশে দলটির নেতাকর্মী ছাড়াও জামায়েতে ইসলামী বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, হেফাজতে ইসলাম, এনসিপিসহ সমমনা ইসলামী দলগুলোর জেলা কমিটির শীর্ষ নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০১৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০১৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩