গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার বিষয়ে তার পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান কথা বলেছেন।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রিফিংএ বলেন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এখন পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত এবং তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হচ্ছে। তাকে দেশেই চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। তবে চিকিৎসার ফলোআপের জন্য তিনি দেশের বাইরে যাবেন কি না, তা তার পরিবার সিদ্ধান্ত নেবে।
এ সময় নুরের সুস্থতার জন্য তার নেতাকর্মীদের অযথা কেবিনে ভিড় না করার অনুরোধ জানান ব্রিগেডিয়ার মো. আসাদুজ্জামান।
গত ৩০ আগস্ট রাত ৯টার দিকে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের পর আল রাজী টাওয়ারের সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হন গণঅধিকারের সভাপতি নুরুল হক নুর। ঘটনাস্থল থেকে নুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালের দিকে নিয়ে যান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নুরের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তার নাক ও চোয়ালের ভাঙা হাড় পুরোপুরি ঠিক হতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। আর চোখের মধ্যে রক্তজমাট যেতে ১ থেকে ২ সপ্তাহ লাগতে পারে।
আসাদুজ্জামান বলেন, বিভাগীয় প্রধানরা নুরকে সার্বক্ষণিক দেখছেন। তাকে নরমাল খাবার খেতে বলা হয়েছে। তবে তিনি খাবার খাওয়ার সময় ব্যাথা পাচ্ছেন। এটিও ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।
নুরের এ ঘটনার পরই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অন্তর্বর্তী সরকারসহ দেশের প্রায় সব দল নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করে নুরের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। একইসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন।