ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস রাজনীতি। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম অভিযোগ করেছেন, লন্ডনের ইশারায় এই নির্বাচন বন্ধ করার ষড়যন্ত্র চলছে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাবির এক শিক্ষার্থীকে ফেসবুকে দেওয়া গণধর্ষণের হুমকির প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি। সাদ্দামের দাবি, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে একটি গোষ্ঠী সচেতনভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তাদের লক্ষ্য হলো ছাত্ররাজনীতিতে শিবিরের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেওয়া।
তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রদল, বামদলসহ বেশকিছু সংগঠন শিবিরকে ঠেকাতে একজোট হয়েছে। তবে ছাত্রসংসদ নির্বাচনে হারার ভয়ে এরা নির্বাচন বয়কটের পাঁয়তারা করছে। তার ভাষায়, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। কিন্তু লন্ডনের নির্দেশে একশ্রেণির সংগঠন নির্বাচন বন্ধ করতে চায়। আমরা এ হীন চেষ্টা সফল হতে দেব না।”
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম আরও বলেন, ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে ডাকসু নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের প্রতীক। অথচ বিদেশি ইশারা এবং রাজনৈতিক স্বার্থে এ নির্বাচনের আয়োজন ঠেকাতে মাঠে নেমেছে একটি মহল।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এ ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করবে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের এ সংগ্রাম থেকে পিছপা হবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে শিবির নেতার বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে এ পরিস্থিতি সামাল দেয়।