বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউছ বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর মুক্ত পরিবেশে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হচ্ছে, তবে দলকে নিয়ে আবারও নতুন করে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিতে জানে। কোনো চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না।”
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হবিগঞ্জে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জিকে গউছ বলেন,
“বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে শহীদ করা হয়েছিল। শেখ হাসিনা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিল। দেশনায়ক তারেক রহমানকেও মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বিএনপির রাজনীতিকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনার কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হয়নি। বরং বিএনপি আরও সুসংগঠিত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত হাসিনা দলবল নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আওয়ামী লীগ বারবার দেশ ধ্বংসের মুখে ফেলে পালিয়ে যায়, আর বিএনপি দেশের হাল ধরে।”
এদিন হবিগঞ্জে বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে বিএনপি। দুপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ থেকে র্যালিটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
র্যালি ও সমাবেশে নেতৃত্ব দেন জিকে গউছ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আমিনুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, হাজী এনামুল হক, মিজানুর রহমান চৌধুরী, ইসলাম তরফদার তনু, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক, গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল, তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, জালাল আহমেদ, সফিকুর রহমান সিতু, এমদাদুল হক ইমরান, শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ বিএনপির বহু নেতাকর্মী।