চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বর গেট এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয় এবং সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী এখনো তা চলমান রয়েছে।
সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও প্রক্টরসহ বহু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এতে পুরো ক্যাম্পাস এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে উপ-উপাচার্য ও প্রক্টরসহ অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। সবাইকে ধৈর্যের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকার জন্য অনুরোধ করছি।”
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবশ্যই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি এই ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এমন ঘটনায় শিক্ষার্থীদের জীবন ও পড়াশোনা যেন ব্যাহত না হয়, সে দিকেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর থেকে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তা নিয়ন্ত্রণে আনতে তৎপর হয়। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এ ধরনের সংঘর্ষ ক্যাম্পাসের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নষ্ট করছে। তারা দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান।
চলমান সংঘর্ষের কারণে চবির শিক্ষার্থীরা আতঙ্কের মধ্যে সময় পার করছেন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।