বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও শাপলা স্মৃতি সংসদের সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, “শাপলা চত্বরের রক্তের স্রোতেই চব্বিশের চেতনার ধারা শুরু হয়েছে। জুলাই ঘোষণাপত্রে শাপলার কথা আসেনি— এর দায় ড. ইউনূসসহ পুরো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নিতে হবে।”
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৪টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শাপলা স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘শাপলা কেন্দ্রিক বিভিন্ন কাজে অংশীজনের সম্মাননা ও সম্মিলনী–২০২৫’ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মামুনুল হক বলেন, শাপলার চেতনা আগামীর বাংলাদেশের মাইলফলক হয়ে থাকবে। এ লক্ষ্যেই শাপলা স্মৃতি সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং শাপলা শহীদ পরিবারের অভিভাবকত্ব গ্রহণের জন্য গঠিত হয়েছে শাপলা শহীদ গার্ডিয়ান্স ফোরাম।
অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেন, শাপলা চত্বরের গণহত্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা হলেও শহীদদের রক্ত আজও সংগ্রামের প্রেরণা হয়ে আছে।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর) বলেন, “শাপলার শহীদরা আমাদের ঈমানি শক্তির প্রতীক।” জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের জয়েন্ট সেক্রেটারি আব্দুল হালিম মন্তব্য করেন, আলেম সমাজকে দীর্ঘদিন ভিন্নভাবে চিত্রিত করা হলেও পরিস্থিতি এখন বদলে গেছে।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, শাপলার ঘটনা ছিল স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রাম। সংবিধান পরিবর্তন না হলে আবারও শাপলা, আবারও ১৮ ও ২৪ ফিরে আসবে।
বিএনপির সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন বলেন, ইসলামের মূল্যবোধ রক্ষার জন্য শাপলার চেতনা আজও প্রাসঙ্গিক। দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শিব্বির মাহমুদ বলেন, শাপলার সত্য তুলে ধরার জন্য দিগন্ত মিডিয়া গর্বিত।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা উপস্থিত থেকে শাপলা চেতনা ধারণের আহ্বান জানান।