গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, শুধু শেখ হাসিনা দিল্লিতে পালিয়েছে, কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা এখনো দেশে রয়ে গেছে। তিনি দাবি করেন, এদের চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ করতে হবে। আর এই প্রেতাত্মাদের নিষিদ্ধের দাবিতে গণঅধিকার পরিষদ যমুনা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করবে।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে নুরুল হক নূরের ওপর হামলার প্রতিবাদে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান জানান, নূরের ওপর হামলার ঘটনায় সরকারকে তারা ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় নূরকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে—“জুলাই ভরে দেওয়া হবে।”
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। রাত সোয়া ৮টার দিকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় নূরকে সহকর্মীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের সময় গণঅধিকার পরিষদের কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সড়কে আগুন ধরিয়ে দেয়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
এদিকে গুরুতর আহত নুরুল হক নূরকে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, তার নাক ও চোখে গুরুতর আঘাত রয়েছে, এবং অবস্থাও আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকরা আরও বলেন, অন্তত ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ ছাড়া তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।