গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, এই দেশটাকে উপহার দিয়েছেন ফজলুর রহমানের মতো মুক্তিযোদ্ধারা। অথচ তাকে ‘ফজলু পাগলা’ বলে যেভাবে অপমান ও অপদস্থ করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই শোভনীয় নয়। দেশের জন্য যাদের অবদান অমূল্য, তাদের নিয়ে সমালোচনা করার যোগ্যতা অনেকের নেই।
সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নুর এসব কথা বলেন । তিনি বলেন, দেশের বাইরে যারা ইউটিউবার বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের সময়ে ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের এখন দেশে আসা উচিত। বিদেশে থেকে কেবল প্রপাগান্ডা ছড়ানো, বিভিন্ন দেশের এজেন্ট হিসেবে কাজ করা—এগুলো দেশ ও জাতির জন্য শুভ নয়।
নুর বলেন, ফজলুর রহমানের বয়স অনেক হয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। আজ আমরা যে স্বাধীন দেশে দাঁড়িয়ে নিজেদের পরিচয় দিতে পারছি, লাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে বিদেশ ভ্রমণ করছি—এই সবই সম্ভব হয়েছে ফজলু রহমানদের মতো মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণে। ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু সেই জন্য তাকে অপমান করার কোনো অধিকার কারও নেই।
ডাকসুর সাবেক ভিপি আরও বলেন, শিশু ও বয়স্কদের মাঝে অনেক সময় মানসিক কারণে আচরণে ভিন্নতা দেখা দেয়। আমাদের প্রত্যেকের পরিবারে প্রবীণ আত্মীয়-স্বজন আছেন, তাদেরও মাঝে মাঝে অবুঝ আচরণ দেখা যায়। কিন্তু তাই বলে তাদের অপমান করার অধিকার নেই।
নুরুল হক নুর উল্লেখ করেন, আমরা চাইলে রাজনৈতিকভাবে অভিযোগ তুলতে পারি, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিকার চাইতে পারি। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানহানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাস্টারমাইন্ড কারা, তা দেশের মানুষ জানে। সময় মতো জনগণকে প্রমাণসহ মনে করিয়ে দেওয়া হবে।