বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

১৫ বছর বিএনপির জন্য লড়লাম,তারাই আজ আমাকে ধাক্কা দেয়,অলমোস্ট আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে

বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ১৫ বছরে যা হয় নাই, আজ হয়েছে। অলমোস্ট আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যে বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করলাম, তারা আমাকে এখন ধাক্কা দেয়।রোববার (২৪ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নিয়ে শুনানি শেষে তিনি এমন অভিযোগ করেন। শুনানিতে সিইসির সামনেই […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৫, ১৫:১৬

বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ১৫ বছরে যা হয় নাই, আজ হয়েছে। অলমোস্ট আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

যে বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করলাম, তারা আমাকে এখন ধাক্কা দেয়।
রোববার (২৪ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নিয়ে শুনানি শেষে তিনি এমন অভিযোগ করেন। শুনানিতে সিইসির সামনেই দুপক্ষ মারামারিতে জড়িতে পড়ে।

রুমিন ফারহানা বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়, হলো এখানে মারামারি হয়েছে। আমি যেহেতু একজন আইনজীবী, আমি মনে করেছি আমার কেস আমি নিজেই প্রেজেন্ট করব। সো আমার কেস আমি প্রেজেন্ট করেছি।

তিনি বলেন, আশা করেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সম্মানের দিকে তাকিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে যারা আছেন, তারা গুন্ডা-পান্ডা নিয়ে ঢুকবে না। নির্বাচন কমিশনে আনফরচুনেটলি আমি দেখলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে যিনি প্রার্থী, তিনি সদলবলে ২০-২৫ জন মিলে গুন্ডা-পান্ডার মতন, তারা সেখানে যে আচরণ করেছে, অত্যন্ত দুঃখজনক, অত্যন্ত লজ্জাজনক। আমি মনে করি, এটা কমিশনের যে গাম্ভীর্য এবং যে সম্মান সেটার সঙ্গে এটা যায় না।

তিনি এ সময় সাংবাদিকদের বলেন, আমি আপনাদের কিছু ছবি দেখাচ্ছি। তারা এলাকায় বিভিন্ন মানুষকে কীভাবে পিটিয়ে পিটিয়ে তারা স্বীকারোক্তি আদায় করেছে।

সো দিস ইজ নেচার। হ্যাঁ, এখনো ইলেকশন আসে নাই। একটা সীমানা নির্ধারণ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের যিনি আছেন, তিনি এভাবে পিটিয়ে পিটিয়ে মানুষকে স্বীকারোক্তি নিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি কোনো গুন্ডা-বদমাশের মেলা করি নাই। করতে চাইলে করতে পারতাম। গুন্ডা আনতে চাইলে আনা যায়। অসুবিধা হয় না। আমি ভদ্রলোক নিয়ে এসেছি। যেটা রায় হয়, হবে। কিন্তু তারা যেহেতু গুন্ডা-পান্ডা নিয়ে এসেছে এবং আবোল তাবোল কথা বলেই যাচ্ছে বলেই যাচ্ছে, আমি লাস্টে একটা কথা বলার জন্য দাঁড়িয়েছি।

রুমিন ফারহানা বলেন, যা ২৫ বছরে হয়নি, সেটা আজ হয়েছে, অলমোস্ট আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যে বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করলাম, তারা আমাকে এখন ধাক্কা দেয়। তো ঠিক আছে, ধাক্কার বদলে তো ধাক্কা আসবেই, তাই না!

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে একটা সীমানা নিয়ে যদি এমন আচরণ আমরা দেখি, নিজের দলের মধ্যে, নির্বাচনে কী হবে?

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাঞ্জাবি পড়া একজন ধাক্কা আমাকে দিয়েছে। আমার লোক তো বসে থাকবে না, আমি তো একজন মহিলা। পরে যখন আমার লোকজনকে মারধর করেছে, আমার লোকজন জবাব দিয়েছে, সিম্পল।

সীমানা নিয়ে বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ২০০৮ সালের আগে যে সীমানা ছিল সেখানেই আমাদের এখন ফিরে যাওয়া উচিত। মাঝখানে ১৫ বছর একটা ফ্যাসিস্ট সরকার ছিল যারা তাদের নিজস্ব ভোট কারচুপির জন্য নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, সেই সীমানা আমরা মানি না। সেজন্য আমরা বলেছি ২০০৮ সালের আগে যে সীমানা ছিল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইচ্ছা ছিল সেখানে যাওয়া হোক। আমাদের ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ, বিজয়নগরের ভোটার সংখ্যা বা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের ভোটার সংখ্যা ছয় লাখ ১০ হাজার।

তিনি আরও বলেন, আশুগঞ্জে ভোটার সংখ্যা চার লাখ ২০ হাজারের মতো। আর তিনটি ইউনিয়নের ভোটার হলো এক লাখ। এই এক লাখ যদি সরাইলের সঙ্গেও যুক্ত হয়, তারপরে দেখা যাবে যে সদরের সঙ্গে বা বিজয়নগরের সঙ্গে সরাইলে ভোটার পার্থক্য অলমোস্ট দুই লাখ থেকে যায়। সো এত বড় একটা আসন সদর বা বিজয়নগর সেই আসনটা অযৌক্তিক।

রুমিন ফারহানা বলেন, সরাইলে যদি তিনটি ইউনিয়ন চলে আসে, তাহলে ভোটার সংখ্যায় ব্যালেন্স তৈরি হয়। এ ছাড়া এই তিন ইউনিয়নে যারা বাস করে বুদন্তি, চাঁদপুরা এবং হরশপুরে; তাদের জমি-জমার বেশিরভাগ কাজ সরাইলের সঙ্গে থাকে।

সো তাদের জমি রেজিস্ট্রি থেকে শুরু করে অন্যান্য যে দাপ্তরিক কাজ সেটা সরাইলে গিয়ে করতে হয়। সে কারণে আমি বলেছি এই তিনটা ইউনিয়নকে সরাইলের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া হোক।

তিনি বলেন, আরেকটি কথা হলো তিনটি ইউনিয়নের লোকজন যদি বিজয়নগরে যায়, তাদের যাতায়াতের সময় লাগে অলমোস্ট দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। আর যদি তারা সরাইলে আসে, সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। তাহলে তাদের কোথায় থাকা উচিত? সরাইলে থাকা উচিত নাকি বিজয়নগরে থাকা উচিত? এই প্রশ্নগুলোই আমি নির্বাচন কমিশনে তুলেছিলাম।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৫৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭৯

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৫৭