শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আস্থা ও ভালোবাসা ধরে রাখতে চাই : ইশরাক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিগত নির্বাচনে সর্বস্তরের জনগণ আমার প্রতি যে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে এতে আমি অত্যান্ত কৃতজ্ঞ। স্বৈরশাসক আওয়ামী লীগ সরকারের জুলুম-নিপীড়ন উপেক্ষা করে ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের যে ভালোবাসা ও আস্থা পেয়েছি তা ধরে রাখতে চাই। মেয়র হিসেবে চেয়ারে বসা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, সুযোগ পেলে ঢাকার প্রতিটি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৬:৪২

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিগত নির্বাচনে সর্বস্তরের জনগণ আমার প্রতি যে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে এতে আমি অত্যান্ত কৃতজ্ঞ। স্বৈরশাসক আওয়ামী লীগ সরকারের জুলুম-নিপীড়ন উপেক্ষা করে ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের যে ভালোবাসা ও আস্থা পেয়েছি তা ধরে রাখতে চাই। মেয়র হিসেবে চেয়ারে বসা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়, সুযোগ পেলে ঢাকার প্রতিটি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারা আমার কাছে সবচেয়ে বড়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন আয়োজিত অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকার ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অডিটরিয়ামে দোয়া ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমার বাবা মেয়র থাকা অবস্থায় জীবনে কখনো নগর ভবনে আসিনি। আমরা এখানে আসি, এটি আমার বাবা কখনো প্রশ্রয় দিতেন না। আমি প্রতিদিন নতুন নতুন তথ্য তার জীবন সম্পর্কে জানছি। ২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলাম।

আপনারা দেখেছেন স্বৈরাচারী খুনি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার কিভাবে উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করেছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের নির্বাচনেও ভোট ডাকাতি করেছে তারা। সে নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করে আমরা একটি মামলা করেছিলাম, সেই মামলা এখনো চলমান রয়েছে। তখন সঠিক বিচার পাওয়ার সুযোগ ছিল না, এটি এখন তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, মেয়র হিসেবে চেয়ারে বসা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে জনগণ আমাকে যেভাবে গ্রহণ করেছে সেটি। জনগণ যেভাবে আমাকে সাড়া দিয়েছে সেটি আমার রাজনীতির জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি। জনগণের আস্থা ও ভালবাসা ধরে রাখতে চাই। বিশ্বের বাসযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে ঢাকাকে উল্লেখযোগ্য স্থানে নিতে চাই।

গত কয় বছরে ঢাকা ওয়াসা সাতটি খাল সিটি কর্পোরেশনকে বুঝিয়ে দিয়েছে। এসব খাল নিয়ে কাজ করার নামে অবৈধ সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপস ৯০০ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে ৩০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন। এই টাকা কোনো কাজে আসেনি।
স্মরণ সভায় ইশরাক হোসেন আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীর ওপর নির্ভর করবে ঢাকা শহর বিশ্বের উন্নত শহর গুলোর কাছাকাছি উঠে আসবে কিনা। ঢাকা শহর সাধারণ মানুষের জন্য কতখানি বসবাসযোগ্য তা নির্ভর করছে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর। শহরকে আস্থার জায়গায় নিতে হবে। আমার বাবার কাছ থেকে জেনেছি, সিটির বড় সমস্যা ছিল সমন্বয়হীনতা।

ঢাকা সিটি সাতটি মন্ত্রণালয়ের ৫০টির অধিক দপ্তর সংশ্লিষ্ট। আর এসব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে শহরকে কাঙ্ক্ষি জায়গায় আনা যায়নি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যত ধরনের বৈষম্যের শিকার হয়েছেন, প্রতিটি ঘটনার বিচার করা হবে। আপনারা যে যে পদের জন্য যোগ্য, সেই পদে আপনাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান ক্ষমতায় গেলে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করে সব ধরনের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবে। স্মরণসভা আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

দোয়া ও স্মরণসভায় উদ্বোধক বক্তা ছিলেন অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক ডেপুটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কমিশনার আলহাজ্ব কাজী আবুল বাশার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর মোহাম্মদ ইলিয়াস ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান প্রিন্স।

 

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০১৭