বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রচার সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, বর্তমান সরকার প্রকৃত অর্থে কোন দলের পক্ষে কাজ করছে, তা জাতি জানতে চায়। জনগণের করের অর্থে পরিচালিত রাষ্ট্রযন্ত্র যদি নির্দলীয়ভাবে কাজ না করে, তবে গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ রুদ্ধ হবে।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল উদ্দেশ্য হলো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা, কিন্তু সরকারের কর্মকাণ্ডে পক্ষপাতের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অংশ বিশেষ রাজনৈতিক দলের স্বার্থে কাজ করছে, যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য উদ্বেগজনক।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, জনগণ চায় সরকার সকল রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করুক। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি না হলে ভোটারদের আস্থা ফিরে আসবে না এবং নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলো সমান অধিকার না পেলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা রাষ্ট্রের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।
তিনি আরও বলেন, সরকারকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তারা কোনো দলের পক্ষে কাজ করছে না। এর জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ দিতে হবে।
জামায়াত নেতা জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, সব দলকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ভুলে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এবং সরকার যদি সত্যিই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করে, তবে পক্ষপাতহীন আচরণ করতেই হবে।