শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জাতির স্বার্থে সব দল এক জায়গায় বসার পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করছে বিএনপি

রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে আদর্শিক পার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে সবাই যেন এক টেবিলে বসতে পারে, সে পরিবেশ তৈরিতে আমরা কাজ করছি। আমাদের আলোচনা চলছে সব পক্ষের সঙ্গে, কারণ জাতির সামনে যে সংকট তা দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে নয়—জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে সমাধান চাই

নিউজ ডেস্ক

০৭ আগস্ট ২০২৫, ২২:৪৭

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,

“বিএনপি দক্ষিণ বা উত্তরপন্থি নয়—বিএনপি বাংলাদেশপন্থি, মধ্যপন্থি এবং দেশের স্বার্থকেই সর্বাগ্রে রাখে।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি একমাত্র দল, যা আদর্শগতভাবে জনগণের মঙ্গলের রাজনীতি করে এবং জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন হলে যেকোনো পক্ষের সাথেও আলোচনা করতে প্রস্তুত।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) গুলশানে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। তার বক্তব্যে উঠে আসে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির অবস্থান, জাতীয় স্বার্থে সংলাপের প্রয়োজনীয়তা, নির্বাচন ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি এবং সংস্কার নিয়ে দলের অবস্থান।

তিনি বলেন,

“রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে আদর্শিক পার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে সবাই যেন এক টেবিলে বসতে পারে, সে পরিবেশ তৈরিতে আমরা কাজ করছি। আমাদের আলোচনা চলছে সব পক্ষের সঙ্গে, কারণ জাতির সামনে যে সংকট তা দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে নয়—জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে সমাধান চাই।”

সরকারের ব্যর্থতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

“নানা বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করেও যা হয়েছে, তা আশানুরূপ নয়। জাতি আরও বেশি প্রত্যাশা করেছিল। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকার যে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল, সেখানে চরম ব্যর্থতা স্পষ্ট।”

সরকারের ধীর সিদ্ধান্তগ্রহণ, সময়মতো পদক্ষেপ না নেওয়া এবং বিচার-সংস্কারের গতি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

তবে নির্বাচন কমিশনকে পাঠানো চিঠিকে তিনি বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করে বলেন,

“এই চিঠির জন্যই জাতি অপেক্ষা করছিল। এটার মাধ্যমে সংস্কার ও বিচারপ্রক্রিয়ার একটা কাঠামো তৈরি হয়েছে, যা বিএনপি ইতিবাচকভাবে দেখছে। দেশের অগ্রগতির জন্য প্রধান উপদেষ্টার ভিশনকে বিএনপি সমর্থন করবে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,

“নির্বাচন পরিচালনার জন্য দ্রুত আইন-কানুন প্রণয়ন করতে হবে। আগামী নির্বাচনের সাংবিধানিক সংস্কার দায়িত্বে থাকবে নির্বাচিত সরকার। এখন যেহেতু পুলিশের কাঠামো রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তাই নির্বাচনের সময় তাদের রাখতেই হবে। তবে মূল নেতৃত্ব দেবে সেনাবাহিনী।”

তার মতে,

“যেখানে জনগণ স্বচ্ছ নির্বাচন চায়, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বড় বিষয় নয়। জনগণ এবং প্রার্থীদের মানসিকতা সেখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য সেনাবাহিনীকে আস্থা ও নেতৃত্বের জায়গায় রাখা জরুরি।”

আসন্ন নির্বাচনে জোট গঠন প্রসঙ্গে বিএনপির অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেন,

“তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত আমরা সমমনা যেকোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করতে পারি। তবে এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনার প্রক্রিয়া চলছে।”

তিনি আবারও স্পষ্ট করে দেন, বিএনপি কখনো বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, বরং জাতিকে একত্রিত করে একটি গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০