রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে আজ (রবিবার) অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বহু প্রতীক্ষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রসমাবেশ। বিকেল আড়াইটায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে সমাবেশ, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এই সমাবেশ শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর স্মরণে আয়োজিত প্রতীকী শক্তি প্রদর্শন। উল্লেখ্য, গত বছরের এই দিনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হাসিনা সরকারের পদত্যাগের একদফা ঘোষণা করে, যার ধারাবাহিকতায় শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা ছাড়ে আওয়ামী লীগ সরকার।
ছাত্রদল জানিয়েছে, সারাদেশ থেকে লাখো নেতাকর্মী ঢাকায় আসছেন এই সমাবেশে অংশ নিতে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ইউনিটগুলোর সবাইকে নির্ধারিত জায়গায় বসতে হবে, কোনো ব্যানার-প্লাকার্ড আনা যাবে না, ও ব্যক্তিগত শোডাউন করা নিষিদ্ধ। এছাড়া শহীদ মিনারে একই সময়ে গণঅভ্যুত্থান-উত্তর গঠিত রাজনৈতিক দল এনসিপিও তাদের সমাবেশ করবে।
জনদুর্ভোগ হ্রাসে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। শাহবাগের আশপাশের হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গলি ও রাস্তায় দায়িত্ব পালন করবেন সংগঠনের কর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত গাড়ি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছে ছাত্রদল।
সংগঠনের সহসভাপতি ডা. আউয়াল বলেন, “এই দিনে হাসিনার পদত্যাগের ডাক এসেছিল। আমরা সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে যাচ্ছি একটি ঐতিহাসিক ছাত্রসমাবেশের মাধ্যমে।”
এই সমাবেশে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান, দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের প্রয়োজনীয়তা ও রাজনৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে।