যিনিই প্রধানমন্ত্রী হন, তার হাতে সমস্ত ক্ষমতা। আর তিনি পুরো রাষ্ট্রটা পকেটে ঢুকিয়ে জনগণের ওপর স্ট্রিম রোলার চালান”—এমন মন্তব্য করে বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে তীব্র সমালোচনায় বিদ্ধ করলেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
রোববার (২৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল শহীদ মিনারে গণসংহতি আন্দোলনের জেলা শাখার জুলাই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাকি বলেন, “এই সংবিধানে মহান মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার—প্রতিফলিত হয়নি। বরং ক্ষমতা একজন ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত করে স্বৈরতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।”
২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদী প্রবণতার সূচনা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যে কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন, তা একদলীয় আধিপত্যের দিকে এগিয়ে গেছে।”
সাকি আরও বলেন, “২০১৪ সালের তামাশার নির্বাচনের পর বিরোধী দলগুলোকে দমন-পীড়ন, মামলা, গুম, খুনের মাধ্যমে রাজনীতির বাইরে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। আর ২০১৮ সালের রাতের ভোট ছিল সেই প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্ব।”
তিনি জানান, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলছি—একটি নতুন জাতীয় সনদ ও রাজনৈতিক চুক্তি ছাড়া এই রাষ্ট্রে গণতন্ত্র ফিরবে না। এখন সব রাজনৈতিক দলই বুঝতে পেরেছে যে বিদ্যমান ব্যবস্থায় রাষ্ট্র এগোতে পারছে না।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্র ফেডারেশনের ফাতেমা রহমান বিথী, শহীদ মোহাম্মদ ইমনের ভাই মোহাম্মদ সুজন, কেন্দ্রীয় নেতা আলিফ দেওয়ান, আশরাফুল আলম সোহেল প্রমুখ। এর আগে জোনায়েদ সাকি ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রধানমন্ত্রী যিনিই হন, রাষ্ট্রটা পকেটে ঢুকিয়ে স্ট্রিম রোলার চালান”—সাকি