রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান শনিবার (১৯ জুলাই) পরিণত হয় এক অভূতপূর্ব ইসলামিক একত্রীকরণের মঞ্চে। একদিনেই একই স্থানে অনুষ্ঠিত হলো দুই বিশাল ইসলামী সমাবেশ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জাতীয় সমাবেশ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসমাবেশ। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে পুরো উদ্যান শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে মুখরিত হয়ে ওঠে।
এ যেন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত—যেখানে লাখো মানুষের সমাগম, কিন্তু নেই কোনো চেয়ার ছোড়াছুড়ি, সামনের সারিতে বসা নিয়ে গণ্ডগোল, কিংবা বিরিয়ানি বিতরণে বিশৃঙ্খলা।
এমনকি দুই পক্ষের কর্মীদের মধ্যে কোনো বিবাদ তো দূরের কথা, কেউ কারো প্রতি উচ্চবাচ্যও করেনি। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল পরিপাটি শৃঙ্খলা, বিনয়, ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনন্য নিদর্শন।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল—সমাবেশস্থলের আশেপাশে কোথাও একটিও বিড়ি-সিগারেটের দোকান ছিল না। কোথাও ধূমপান করা হয়নি, যা সচরাচর অন্যান্য রাজনৈতিক বা সামাজিক জমায়েতে দেখা যায়। এই ব্যতিক্রমধর্মী বাস্তবতায় ফুটে উঠেছে ইসলামী নীতির সৌন্দর্য ও অনুশীলনের বাস্তব চিত্র।
এই আয়োজন প্রমাণ করে, ইসলামী মূল্যবোধেই রয়েছে বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ের পথে পরিচালনার ক্ষমতা। রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে, ইসলামী দলগুলোর এধরনের শৃঙ্খলিত কর্মকাণ্ড জনমানসে আস্থা ও নিরাপত্তা সৃষ্টি করছে।
বাংলার ধর্মপ্রাণ মানুষ আজ নতুন করে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে—এই মাতৃভূমি ইসলামের হাতেই নিরাপদ। তাই আগামীর বাংলাদেশ ইসলামিক বাংলাদেশ হবে, ইনশাআল্লাহ। এই বাংলাদেশই জনগণের ভোটে প্রতিষ্ঠিত হবে—পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা ও তাওহিদের বার্তা নিয়ে।