শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কোথায় শুরু -শেষ করতে হবে বুঝে না সরকার : সারোয়ার তুষার

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার একটি টেলিভিশন টকশোতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৭ এবং ১৯৭১, এই দুটি ঘটনাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যেমন ‘নন-নেগোশিয়েবল’ বা কোনোভাবেই অস্বীকারযোগ্য নয়, তেমনি ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের ঘটনাকেও ইতিহাসের ধারাবাহিকতা হিসেবে মেনে নিতে হবে। তাঁর মতে, পাকিস্তান […]

কোথায় শুরু -শেষ করতে হবে বুঝে না সরকার : সারোয়ার তুষার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ মে ২০২৫, ১২:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার একটি টেলিভিশন টকশোতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৭ এবং ১৯৭১, এই দুটি ঘটনাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যেমন ‘নন-নেগোশিয়েবল’ বা কোনোভাবেই অস্বীকারযোগ্য নয়, তেমনি ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের ঘটনাকেও ইতিহাসের ধারাবাহিকতা হিসেবে মেনে নিতে হবে।

তাঁর মতে, পাকিস্তান রাষ্ট্র ও পাকিস্তান আন্দোলন এক জিনিস নয়। পাকিস্তান রাষ্ট্রে যা ঘটেছে তার সমালোচনা হতে পারে, কিন্তু আন্দোলনে এই অঞ্চলের মানুষ সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদের মতো নেতারাও সেই আন্দোলনের অংশ ছিলেন এবং তাঁরা কখনো বলেননি যে আন্দোলনটি ভুল ছিল। তিনি বলেন, যদি ১৯৪৭ সালে আলাদা রাষ্ট্র না হতো, তাহলে আজ বাংলাদেশ কাশ্মীরের মতো সংকটে পড়তে পারত।

সারোয়ার তুষার আরও বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মাঝে মাঝে অস্বাভাবিকভাবে খারাপ হয়ে যায়, যা অত্যন্ত রহস্যজনক। তিনি মনে করেন, এই ধরনের অপরাধ যেমন দিনে-দুপুরে ছিনতাই, চাঁদাবাজি বা খুন — এগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অক্ষমতার কারণে নয়, বরং ইচ্ছার অভাবের ফল।

তিনি বলেন, সঠিক তদন্ত ও শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে এই অপরাধগুলো বারবার ঘটত না। এ ছাড়া তিনি পুলিশের সীমাবদ্ধতা এবং কাঠামোগত দুর্বলতা উল্লেখ করে বলেন, পুলিশ রিফর্ম বা সংস্কার এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন করা প্রয়োজন, কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করতে চাইছে না।

ফলে ভেতর থেকেই একটি বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, যা জনগণ এখনো পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারছে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণ যখন এ বিষয়ে সচেতন হবে, তখন একটা বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে।

এ আলোচনায় অংশ নিয়ে আজিজ ভাই বলেন, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ যেভাবে দেশ ছেড়ে গেলেন, তা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। বিমানবন্দরে সব গোয়েন্দা সংস্থা ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা থাকার পরেও তিনি তিন ঘণ্টা পাঁচ মিনিট ভিআইপি লাউঞ্জে থেকে নির্বিঘ্নে চলে গেলেন, অথচ তিনি একজন হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

এটি তখনই আলোচনায় আসে যখন বিতর্ক শুরু হয় এবং পরবর্তীতে চারজন পুলিশ সদস্য চাকরিচ্যুত হন। তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনাগুলোর কারণে পুলিশ এখন ‘টমাটাইজড’ হয়ে গেছে—ভয় পেয়েছে। ভালো কাজ করলেও শাস্তি পেতে পারে, এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।

আজিজ ভাই বলেন, পুলিশ অনেক কিছু করতে সক্ষম, কিন্তু তাদের মধ্যে এখন ভয় কাজ করছে। আগের ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় যেভাবে গায়েবি মামলা ও দমনপীড়ন চালানো হয়েছিল, এখনো সেই প্রভাব রয়ে গেছে। তিনি বলেন, ডিসি পদায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসন ক্যাডারের ৯৫% লোক নিয়োগ পেয়েছে এবং এদের বড় অংশই ফ্যাসিস্ট সরকারের অনুসারী ছিল বলে একটি রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। অথচ দেশে আরও ২৫টি ক্যাডার আছে, সেখান থেকেও যোগ্য লোকজনকে ডিসি হিসেবে পদায়ন করা যেত।

তিনি আরও বলেন, যারা সরকারি চাকরির সুযোগ নিয়ে অপরাধে জড়িয়েছে, তাদের আলাদা করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। যারা নির্দোষ, তাদের জন্য সাধারণ ক্ষমতার ঘোষণা দিলে অন্তত তারা নিরাপদ বোধ করত।

তাঁর মতে, বর্তমান সরকার হঠাৎ করে ক্ষমতায় এসেছে, এবং তাদের রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকায় তারা এখনো বুঝতে পারছে না কোথা থেকে শুরু করবে। ফলে পরিস্থিতি এখনো ধোঁয়াশাপূর্ণ এবং একটি সুস্থ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবেশ তৈরির জন্য দ্রুত ও কার্যকর সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২১