গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাতে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্টে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দেশের ঐক্যের ১২টা বাজিয়ে এখন ক্ষমা চাও কেন?”
যদিও তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেননি, এই বক্তব্য কাকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া হয়েছে, তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রাশেদ তার পোস্টে আরও বলেন, “পদত্যাগ করার পরেই জনগণ ক্ষমার চিন্তা করবে।” তিনি অভিযোগ করেন, যারা গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত স্টেকহোল্ডার ছিলেন, তাদের বাদ দিয়ে এককভাবে ‘মাস্টারমাইন্ড’ ও ‘উপদেষ্টা’ হওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি লিখেন, “গণঅভ্যুত্থানের সকল স্টেকহোল্ডারকে মাইনাস করে মাস্টারমাইন্ড ও উপদেষ্টা হওয়ার মধ্যেই যে সকল সুখ থাকে না, তা নিশ্চয়ই তুমি বুঝতে পারছো।”
নেতৃত্বের আত্মমগ্নতা ও ক্ষমতালোভ নিয়ে রাশেদ লেখেন, “তুমি নাকি মানুষকে দেশ চালাতে ও রাজনীতি করতে দিবা না! তোমার অহংকার, ঔদ্ধত্য শুধু তোমাকে নয়, তোমাদের ফাঁদে যারা পড়েছে, তাদের অবস্থাও তোমার মতো হবে।”
তিনি আরও লিখেন, “একটা গণঅভ্যুত্থানের পরে দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ না রেখে অনৈক্য ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে ভেবেছিলে একলাই হিরো হবা, আজীবন দেশের ক্ষমতা ধরে রাখবা।” রাশেদ মনে করিয়ে দেন, “এই দেশের জনগণ যেমন মাথায় তুলে নাচতে জানে, তেমনি ধপাস করে ফেলতেও জানে।”