ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
আজ সোমবার (১২ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এই মর্মে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুসারে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলাগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে।
এই সিদ্ধান্তের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেয়। ব্রিফিংয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, “যদি আওয়ামী লীগকে বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে নিরাপদ রাখার কোনো চেষ্টা করা হয়, তাহলে ছাত্র-জনতা আবার রাস্তায় নামবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি, শুধু নির্বাহী আদেশ নয়, বিচারিক প্রক্রিয়ায়ই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে হবে। এই দাবি আমাদের একার নয়, এটি ছাত্র-জনতার মনের দাবি।”
সামান্তা শারমিন বলেন, “এই প্রজ্ঞাপন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কারণ আওয়ামী লীগের সহযোগীদের দ্বারা আমাদের অনেক নেতা-কর্মীর বাড়িতে হামলা, হুমকি ও নির্যাতন হয়েছে। এমনকি তাদের পরিবারও আক্রান্ত হয়েছে।”
তিনি এ সময় ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক কাঠামোর বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার আহ্বান জানান।