মোঃ হুমায়ুন কবির খোকন,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
তপ্ত দুপুরের নীরবতা ভেঙে বিএনপি নেতা কর্মীদের স্লোগান আর করতালিতে মুখরিত পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার আগুনমুখা নদীর তীর। ক্ষণিক বাদেই দৃষ্টিসীমায় বিএনপি নেতা ও বিশিষ্ট শিল্পপতি হাজী আল মামুনকে বহনকারী স্পিডবোটটি তীরের কাছাকাছি আসতেই এই উচ্ছ্বাস যেন ফেটে পড়ার উপক্রম!
ঈদ পরবর্তী সময়ে এলাকার নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রাঙ্গাবালীতে আসার পর এমনই ছিল হাজী আল মামুনকে বরণ করার দৃশ্য।
ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর প্রথমবারের মত নিজ গ্রামে ফেরার খবরে তাকে বরণ করতে যেন নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছিল। বুধবার বিকেলে উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের নিজ গ্রামে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
এর আগে, দুপুর দুইটা থেকে উপজেলার সকল ইউনিয়ন থেকে মোটরসাইকেল যোগে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করে। বিকেল চারটার পর হাজী আল মামুন যখন পৌঁছান তার আগেই জমা হয়ে যায় সহস্রাধিক মোটরসাইকেলের এক বিশাল বহর। পরে উপজেলার মৌডুবি ও বড়বাইশদিয়া ইউনিয়ন প্রদক্ষিণ করে নিজ গ্রামে আসেন হাজী আল মামুন। শোডাউন শেষে নিজ বাড়িতে পৌঁছলে সেখানে অপেক্ষমাণ হাজারো নেতাকর্মী তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করেন।
উপজেলার তক্তা বুনিয়া বাজারে সাধারণ মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে হাজী আল মামুন বলেন, “আমি নিজে কোন নির্বাচনের প্রার্থী কিংবা রাজনৈতিক পদ প্রত্যাশী নই। আমি এসেছি এই অঞ্চলের বিএনপি কর্মীদের প্রাণের নেতা কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন ভাইয়ের হাতকে আরো বেশি শক্তিশালী করতে।”
এ আয়োজনে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের প্রায় তিন থেকে চার হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
নিজ বাড়িতে আগত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ হাওলাদার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব বলে কি আপনি মনে করেন?