বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমাদেরকে জনগণের কাছে যেতে হবে, জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।”
শুক্রবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে রুহিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত ইফতার মাহফিলে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই আহ্বান জানান।
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “বর্তমান সরকারের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমাদেরকে সংগঠিত হয়ে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে হবে।”
মির্জা ফখরুল তার বক্তব্যে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া এবং নিজের পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “এই সময়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে শামিল হতে হবে।”
ইফতার মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটি ও টিম প্রধান এবং রংপুর বিভাগীয় পর্যবেক্ষণ টিমের সহ-সভাপতি ড. মফিদুল আলম খান, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, ঠাকুরগাঁও স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুল ইসলাম ও সদস্য সচিব কামরুজ্জামান।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রুহিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই বক্তব্য বিএনপির নির্বাচনী কৌশলকে সামনে রেখে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। বিশেষ করে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান বিএনপির গণসংযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই আহ্বানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সময় কোনো বিষয় নয়, নিরপেক্ষ নির্বাচনই আসল কথা। তাঁর এই বক্তব্যে আপনার সমর্থন আছে কি?