বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আলোচনা ছাড়া স্ট্যাটাস দিতেও ‘মানা’এনসিপি নেতাদের

দেশের বিভিন্ন জেলায় নেতাকর্মীদের মাঝে হট্টগোল, হাতাহাতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতাদের একের পর এক নিয়ন্ত্রণহীন স্ট্যাটাসে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছে নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বিশেষ করে দলীয় ফোরামে আলাপ-আলোচনা ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে শীর্ষ নেতাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস বেকায়দায় ফেলছে দলটিকে। এমন পরিস্থিতিতে দলের ভেতরে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর হচ্ছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা; তৈরি করা হচ্ছে শৃঙ্খলাবিধি। পাশাপাশি বক্তব্য, […]

আলোচনা ছাড়া স্ট্যাটাস দিতেও ‘মানা’এনসিপি নেতাদের

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ মার্চ ২০২৫, ১৬:৩৩

দেশের বিভিন্ন জেলায় নেতাকর্মীদের মাঝে হট্টগোল, হাতাহাতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতাদের একের পর এক নিয়ন্ত্রণহীন স্ট্যাটাসে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছে নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

বিশেষ করে দলীয় ফোরামে আলাপ-আলোচনা ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে শীর্ষ নেতাদের ফেসবুক স্ট্যাটাস বেকায়দায় ফেলছে দলটিকে। এমন পরিস্থিতিতে দলের ভেতরে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর হচ্ছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা; তৈরি করা হচ্ছে শৃঙ্খলাবিধি। পাশাপাশি বক্তব্য, বিবৃতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাসসহ নানা বিষয়ে দেওয়া হচ্ছে সতর্কবার্তা।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি দলের দুই মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছে এনসিপি। বিশেষ করে দলীয় ফোরামে আলাপ-আলোচনা ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এভাবে পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাস দেওয়া এবং অন্য শীর্ষ নেতারা মন্তব্য করায় দলের

ভেতরে যেমন অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, তেমনি দলের বাইরেও বিরূপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শীর্ষনেতাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকে। তাদের কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

তারা বলছেন, এসব কারণে আগামীতে এনসিপির সঙ্গে কেউ অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় বসতে স্বস্তিবোধ না-ও করতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে দলের শৃঙ্খলার বিষয়ে নড়েচড়ে বসেছেন এনসিপির নীতিনির্ধারকরা। তারা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় কোনো ইস্যুতে ব্যক্তিগত মতামত দিতে পারবেন না নেতারা। এ নিয়ে একটা শৃঙ্খলাবিধিও তৈরি হচ্ছে, প্রস্তাব পাস হয়েছে।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সব নেতার স্বাক্ষর নেওয়া হবে। এ ছাড়া সাংগঠনিক যে কোনো বিষয়ে বক্তব্য-বিবৃতিতে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ ফেসবুকে লেখেন, গত ১১ মার্চ তিনিসহ দুজনকে ক্যান্টনমেন্টে ডেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। হাসনাতের সেই পোস্টের পর বিষয়টি নিয়ে দুদিন ধরে নানা আলোচনা চলে।

এর মধ্যে রোববার ফেসবুক পোস্টে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম লেখেন, ‘যেভাবে এই কথাগুলো ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এসেছে, এই প্রক্রিয়াটি আমার সমীচীন মনে হয়নি।’ সারজিসের এই পোস্টের নিচে মন্তব্যের ঘরে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ লেখেন, ‘এসব কী ভাই! পাবলিকলিই বলছি, দুজনের একজন মিথ্যা বলছেন। এটা চলতে পারে না।’

শীর্ষনেতাদের এমন ‘অসাংগঠনিক’ কার্যক্রমে বিব্রত ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় অন্য নেতারা। তারা বলছেন, সেনাপ্রধানের সঙ্গে হাসনাত-সারজিসের আলোচনার বিষয়টি দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি। তারা ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার আগ পর্যন্ত বেশিরভাগ নেতা জানতেনই না।

এ ছাড়া অনানুষ্ঠানিক এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা বাহিনীর আলাপকে তারা যেভাবে প্রকাশ্যে এনেছেন, তাতে দলের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। অনেকে এনসিপি নিয়ে হাসাহাসিও করছেন।

কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা বলেন, দলের অন্যতম স্টেক হওয়া সত্ত্বেও যে যার মতো স্ট্যাটাস দিচ্ছেন, পাল্টা বক্তব্য দিচ্ছেন, কিন্তু কেন্দ্রীয় কমিটির কেউ বিষয়টি জানেনই না। এটা চরম বিব্রতকর। ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা অর্জনের রাজনীতি করছেন অনেকে।

ডেকোরামের কাউকে হুটহাট ফেসবুকে পোস্ট না দেওয়ার বিষয়ে বলা হলেও কেউ মানছেন না। দিনশেষে এটি নতুন দলের জন্য অস্বস্তির। কেন্দ্রীয় কমিটির অন্য নেতারা সবাই এতে ক্ষোভ জানিয়েছেন এবং দলের আহ্বায়ক সদস্য সচিবকে বিষয়টি নিয়ে ভাবার অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ ছাড়া সিলেটে এনসিপির ইফতার মাহফিলে নেতাকর্মীদের মধ্যে হট্টগোল, হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনা, এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদের সামনেই নেতাকর্মীদের হাতাহাতিসহ বিভিন্ন জেলায় বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড দলটিকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে।

এসব বিষয়েও কেন্দ্র থেকে দেখভালের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, শৃঙ্খলাবিধির বিষয়ে একটা প্রস্তাব পাস হয়েছে। কোন ইস্যুগুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলা যাবে, কোনগুলো নিয়ে যাবে না, সেসব নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।

সব কেন্দ্রীয় নেতা এতে স্বাক্ষর করবেন, এরপর এটি চূড়ান্ত হবে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলার বিষয়ে এনসিপি গুরুত্ব দিচ্ছে।

দলটির সাংগঠনিক শৃঙ্খলার বিষয়ে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, ‘নতুন দলের জন্য সাংগঠনিকভাবে স্থির হতে একটু সময় লাগে। তাই কিছুটা বিশৃঙ্খলা হওয়া স্বাভাবিক। এটি সাংগঠনিক স্ট্রাকচারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে না।

নতুন দল হিসেবে আমাদের অনেক কিছু শিখতে হচ্ছে, অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তবে কিছু নির্দেশনা আমাদের দ্রুত নিতে হবে। যেমন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কী ধরনের সতর্কতা এবং সচেতন থাকা উচিত, সেটা নিয়ে আমরা এখন থেকে কাজ করব।

এটা আমরা আগে মৌখিকভাবে বললেও এখন থেকেই পালন করার নির্দেশনা দেব। পার্টির সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত—পার্টির রাজনৈতিক লাইন অনুযায়ীই নেতারা কথা বলবেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ সিদ্ধান্তগুলো আমরা এখন নিতে যাচ্ছি।’

এর আগে রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, ‘একটি বিশাল অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। আন্দোলন এবং পলিটিক্যাল জায়গা—দুটি আলাদা জায়গা।

সে জায়গা থেকে এই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্ররা নিজেদের পলিটিক্যাল জায়গাটায় ট্রান্সফরমেশন করতেছে। সে জায়গায় কিছু ক্ষেত্রে যদি ভুলত্রুটি হয়ে থাকে, দেশবাসীকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এনসিপির নেতাদের মধ্যে কোনো দূরত্ব বা বোঝাপড়ার জায়গায় ঘাটতি নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৯৭

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৭১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৭১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৯৭