শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ভারতে গিয়ে বাবার নাম পাল্টে সেখ সালাহউদ্দিন হলেন বিধান মল্লিক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই সেখ সালাহউদ্দিন ওরফে সেখ জুয়েল বর্তমানে ভারতের নাগরিক পরিচয়ে চলাফেরা করছেন, যেখানে তার নতুন নাম বিধান মল্লিক। ভারতীয় আধার কার্ডে তার বাবার নামও পরিবর্তন করে শেখ আবু নাছেরের পরিবর্তে মুদিন্দ্রনাথ মল্লিক লেখা হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে […]

ভারতে গিয়ে বাবার নাম পাল্টে সেখ সালাহউদ্দিন হলেন বিধান মল্লিক

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ মার্চ ২০২৫, ১১:২১

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই সেখ সালাহউদ্দিন ওরফে সেখ জুয়েল বর্তমানে ভারতের নাগরিক পরিচয়ে চলাফেরা করছেন, যেখানে তার নতুন নাম বিধান মল্লিক। ভারতীয় আধার কার্ডে তার বাবার নামও পরিবর্তন করে শেখ আবু নাছেরের পরিবর্তে মুদিন্দ্রনাথ মল্লিক লেখা হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সেখ জুয়েলের মতো শেখ পরিবারের আরও অনেক সদস্য ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং আধার কার্ডের মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় পরিবর্তন করেছেন। ভারতীয় আধার কার্ডের কপি বাংলাদেশ প্রতিদিনের কাছে এসেছে, যেখানে স্পষ্টভাবে তার নতুন নাম এবং ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে খুলনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সেখ সালাহউদ্দিন, এবং ২০২৪ সালেও আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে হাসিনা সরকার পতনের পর তিনি ও শেখ পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য ভারতে আশ্রয় নেন।

এর আগে, শেখ পরিবারের অনেক সদস্য সেনাবাহিনীর হেফাজতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, যেখানে ৬২৬ জনকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে তারা ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা হেফাজত থেকে বেরিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। বর্তমানে সেখ জুয়েলসহ তার বড় ভাই শেখ হেলাল, শেখ সোহেল ও ছোট ভাই শেখ রুবেল পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থান করছেন। জানা গেছে, সেখ জুয়েল তার ভারতীয় পরিচয় ব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় অবাধে চলাফেরা করছেন এবং বিশেষ ট্রাভেল কার্ডের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাতায়াতও করছেন।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেখ জুয়েলের ভারতীয় আধার কার্ডে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে বিধান মল্লিক হিসেবে, যেখানে জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৫৯ এবং ঠিকানা শাড়াপুল, ডাকবাংলো, স্বরূপনগর, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ-৭৪৩২৮৬। তবে তার বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নাম সেখ সালাহউদ্দিন, জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৬৭ এবং ঠিকানা সোনাডাঙ্গা, খুলনা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্যের এমন কর্মকাণ্ড শুধু দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য নয়, বরং দেশের সাধারণ মানুষের কাছেও নৈতিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা একটি দলের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতার এভাবে ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং নতুন পরিচয়ে বসবাস করা রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই ঘটনায় আওয়ামী লীগের ভেতরে প্রতিক্রিয়া তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে জানা গেছে। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন এবং এই ধরনের কর্মকাণ্ড কেন ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা সংকটের জন্ম দিতে পারে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দিক থেকেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে, সেখ জুয়েলের নাগরিকত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি। তবে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, ভারতের বিশেষ কিছু মহলের সহায়তায় এই নাগরিকত্ব পরিবর্তনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিও একই পথ অনুসরণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলও নজর রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত পরিচয় পরিবর্তনের ঘটনা নয়, বরং এর পেছনে রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক বিভিন্ন দিক রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৫