শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আসন্ন নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসবে বিএনপি: এএফপি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আগামী নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি আগামী বছরের মার্চের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে থাকতে পারে। প্রতিবেদনটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে নেওয়া এক সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি […]

আসন্ন নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসবে বিএনপি: এএফপি

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৮ মার্চ ২০২৫, ১০:১৫

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আগামী নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি আগামী বছরের মার্চের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে থাকতে পারে।

প্রতিবেদনটি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে নেওয়া এক সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। এতে বলা হয়, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে মতানৈক্য স্পষ্ট হচ্ছে। বিএনপি মনে করছে, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা দরকার, যাতে দেশ একটি গণতান্ত্রিক সরকার পায়।

নাহিদ ইসলাম সম্প্রতি এএফপির সঙ্গে কথা বলেন, যেখানে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। এই বাস্তবতায় নির্বাচন আয়োজন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষায়, “অনেকেই আমাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন বিলম্বের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলছে, কিন্তু সত্য হচ্ছে, আমরা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেই সিদ্ধান্ত নিতে চাই।”

নাহিদ ইসলাম ছিলেন শেখ হাসিনার শাসনের বিরুদ্ধে গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান মুখ। পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যোগ দিলেও, সম্প্রতি তিনি পদত্যাগ করে নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি গঠন করেছেন। তরুণদের নেতৃত্বে গঠিত এই দল ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দিতে চায়।

রাজনৈতিক সংস্কারের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নাহিদ বলেন, “বাংলাদেশে সত্যিকারের পরিবর্তনের প্রয়োজন থাকলেও, অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই এতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তরুণেরা জীবন দিয়ে যে পরিবর্তনের বীজ বুনেছে, সেটির যথাযথ বাস্তবায়ন হচ্ছে না।” তার মতে, গণঅভ্যুত্থানের পর দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করাই তাদের রাজনৈতিক দায়িত্ব, আর এই কারণেই এনসিপির যাত্রা শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা যদি আসন্ন নির্বাচনে সরকার গঠন নাও করতে পারি, তবু এমন একটি রাজনৈতিক শক্তির সূচনা করেছি, যা আগামী কয়েক দশক ধরে প্রভাব বিস্তার করবে। কেউই জানত না যে, এমন একটি অভ্যুত্থান হবে, কিন্তু সেটি হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের বিজয় সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে এই নির্বাচনই সবকিছু নয়—আমাদের লক্ষ্য এই আন্দোলনকে ৫০ বা ১০০ বছর পর্যন্ত টিকিয়ে রাখা।”

এনসিপি নিজেদের এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়, যেখানে গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় বিশ্বাসী সব মতাদর্শের মানুষের জন্য জায়গা থাকবে। তবে নতুন দল গঠনের পর থেকেই কিছু অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ডানপন্থীদের চাপে পড়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে সমকামী অধিকারের জন্য কাজ করা একজন সদস্যকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা সব মতাদর্শের মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করতে চাই, তবে আমাদের দেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে কিছু বিষয় মানিয়ে চলতে হবে।” এনসিপিতে এখনো যথেষ্ট বৈচিত্র্য রয়েছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, “আমরা দলে নারীদের সামনে এনেছি, সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে জায়গা দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য, যাতে প্রতিটি নাগরিক তার অধিকার ভোগ করতে পারে।”

রাজনীতির মঞ্চে এনসিপির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী দলের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন, অভ্যন্তরীণ মতাদর্শগত বিভাজন এবং ক্ষমতাসীন অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকাকে কেন্দ্র করে আগামীর রাজনীতিতে এনসিপির অবস্থান স্পষ্ট হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৪০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৫

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০৫