শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এনসিপি নেতাদের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন নুরুল হক

জুলাই আন্দোলন ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারীদের গড়া নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের দলের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী। নুরুল হক দাবি করছেন, এই নেতাদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে দলে ভেড়ানো হয়েছে। এমনকি কয়েকজনকে ‘১০ কোটি টাকা’ ও ‘এমপি’ করার প্রলোভনও দেখানো হয়েছে। যদিও […]

এনসিপি নেতাদের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন নুরুল হক

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৬ মার্চ ২০২৫, ১৪:৪৪

জুলাই আন্দোলন ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারীদের গড়া নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের দলের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী।

নুরুল হক দাবি করছেন, এই নেতাদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে দলে ভেড়ানো হয়েছে। এমনকি কয়েকজনকে ‘১০ কোটি টাকা’ ও ‘এমপি’ করার প্রলোভনও দেখানো হয়েছে।

যদিও তার এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন।

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ব্যাপক জনসমাগম ঘটিয়ে নতুন এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি।। অন্তর্বতী সরকার থেকে পদত্যাগ করে এই দলের আহ্বায়ক হয়েছেন নাহিদ ইসলাম।

নতুন দলের আত্মপ্রকাশের পরদিনই বিজয়নগরে গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নুরুল হক সংবাদ সম্মেলন ডাকেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে নুরুল হক নুর এনসিপি নেতাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন। এ ছাড়া সরকারে থাকা অন্য দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগের আহ্বান জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক পরিচিত ছাত্রনেতাদের তদবির, নিয়োগ, টেন্ডার-বাণিজ্যসহ নানাবিধ অনৈতিক কর্মকাণ্ড ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এমনকি এনসিপির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানেও জেলা প্রশাসকের নোটিশে ঢাকার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মতো বিষয় দেখা গেছে। গাড়ি সরবরাহে মালিক সমিতি ও পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে।

নুরুলের ওই সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গে গত রোববার একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে কথা বলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। তিনি বলেন, ‘নুরুল হক নুর নিজেই তার দল বিলুপ্ত করে এনসিপির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আমরা বলেছি, অবশ্যই আদর্শিকভাবে অনেক দিক থেকে আমাদের মিল আছে। কিন্তু আমরা প্রাথমিকভাবে কোনো একটা দল বিলুপ্ত করে আনতে চাইছি না। অনেক ধরনের সমালোচনা হতে পারে। ভবিষ্যতে আমরা একসঙ্গে এক উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে মুভ দিতে পারি।’

হান্নানের এই বক্তব্যের জবাবে নুরুল বলেছেন, তিনি এনসিপিতে যোগ দিতে চাননি। এনসিপির নেতাদের তিনি গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র আরও জানায়, নুরুল হকের দল গণ অধিকার পরিষদ ও দলটির ছাত্রসংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদের অন্তত ২০ জন নেতা এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন, আহ্বায়ক কমিটিতে তারা পদ পেয়েছেন।

এনসিপি নেতাদের অনেকে মনে করছেন, নিজ দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা এনসিপিতে যোগ দেওয়ায় বড় ধরনের সংকটে পড়েছে নুরুলের দল। এ কারণে নুরুল হক এখন এনসিপি নেতাদের ওপর চটেছেন।

নুরুল হক বলেন, নতুন দলের উদ্যোক্তাদের অনেকেই তার দল গণ অধিকার পরিষদ ও সংগঠনের কর্মী বা দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতা ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর একটি বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম করার ব্যাপারে তাদের সঙ্গে নুরুল হক নুুরের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু কারও কারও দূরদর্শিতার অভাব থাকায় সেটি আর এগোয়নি।

নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, তার দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফসহ কয়েকজনকে ‘ব্ল্যাকমেল’ করে এনসিপিতে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে তারা ভুল বুঝতে পেরে গণ অধিকার পরিষদে ফিরে এসেছেন।

এ বিষয়ে আবু হানিফ বলেন, তাদের কাউকে কোনো টাকার প্রলোভন দেখানো হয়নি। তবে তিনি বলেন, এনসিপি বেটার কিছু হবে মনে করে আমি এই দলে যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে গণ অধিকার পরিষদে থেকেই ভালো কাজ করতে পারব। তাই আমি গণ অধিকারে ফিরে যাচ্ছি। শিগগিরই আমি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করব।

তবে ১০ কোটি টাকা ও এমপি পদের প্রলোভন দেখানোর যে অভিযোগ নুরুল হক করছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ বলে দাবি করেছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। তিনি বলেন, ‘এটা সর্বৈব মিথ্যা। এর কোনো ভিত্তি নেই। প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের মন্তব্য করা পুরোনো সংস্কৃতির অংশ।

নুরুল হকের গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক ছিলেন আবু হানিফ। এনসিপিতে যোগ দিয়ে তিনি দলটির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হয়েছেন।

নুরুলের দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য হানিফ খান সজীব, আব্দুজ জাহের ও আরিফুল ইসলামও যোগ দিয়েছেন এনসিপিতে। এর মধ্যে সজীব এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক, জাহের যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও আরিফুল দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক হয়েছেন।

নুরুল হক নুরের অভিযোগ প্রসঙ্গে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, গণ অধিকার পরিষদ থেকে কিছু লোক অনেক আগেই বেরিয়ে গেছেন। তারাই এনসিপিতে এসেছেন।

কারণ নুরুল হকের ব্যক্তিগত অনেকগুলো কর্মকাণ্ড ও ভুল রাজনীতির কারণে তাদের অনেকেই একটা নতুন রাজনীতি চাইছিলেন।

সেই রাজনীতির কথা যখন এনসিপি প্রস্তাব করেছেন, তখন তারা এই দলে এসেছেন। এখন নুরুল হক দায়িত্বজ্ঞানহীন কথাবার্তা বলছেন।

গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব হয়েছেন। গণ অধিকার পরিষদের ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মো. রাসেল আহমেদ এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠকের পদ পেয়েছেন।

গণ অধিকার পরিষদের সহযোগী সংগঠন পেশাজীবী অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিনও এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি নতুন দলের যুগ্ম সদস্যসচিব।

নুরুল হকের দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদের বেশ কয়েকজন নেতাও যোগ দিয়েছেন এনসিপিতে। এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পাওয়া আরিফুল ইসলাম আদীব ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। যুগ্ম সদস্যসচিব আকরাম হুসেইন ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

গণ অধিকার পরিষদ থেকে বেরিয়ে নতুন দল গঠন করেছিল একটি অংশ। এটি ২০০৩ সালের কথা। তখন তারাও গণ অধিকার পরিষদ নামেই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। গণ অধিকার পরিষদের এই অংশের বেশ কয়েকজন নেতাও নতুন দল এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন।

এই নেতাদের মধ্যে আছেন শিরীন আক্তার শেলী, মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, আরিফুর রহমান তুহিন, সাদ্দাম হোসেন, খায়রুল কবির, জয়নাল আবেদীন শিশির, আবুল বাশার ও আবু সাঈদ মুসা। তাঁরা প্রত্যেকেই এনসিপির বিভিন্ন পদে রয়েছেন।

পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এনসিপির আত্মপ্রকাশের পর গণঅধিকার পরিষদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে নুরুল হক নতুন দলের উদ্যোক্তাদের নিয়ে নানা অভিযোগ তুলছেন। এ নিয়ে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৬

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৬

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০৬