রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ. লীগের সঙ্গে জোট, শরিকরা দুঃখ প্রকাশ করে ফিরতে চায় রাজনীতিতে

আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের মিত্র ১৪ দলের শরিকরা অবশেষে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুরু করেছেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্কের দায় আর বহন করতে চান না তারা। আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনামল, দুর্নীতি, লুটপাট, দমন-পীড়ন এবং সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট গণহত্যার দায়ভার থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে চাইছেন এই জোটের বেশিরভাগ দল। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সঙ্গে পথচলার জন্য ‘দুঃখ প্রকাশ’ […]

আ. লীগের সঙ্গে জোট,  শরিকরা দুঃখ প্রকাশ করে ফিরতে চায় রাজনীতিতে

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৫, ১০:১৪

আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের মিত্র ১৪ দলের শরিকরা অবশেষে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে শুরু করেছেন। দীর্ঘ ১৬ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্কের দায় আর বহন করতে চান না তারা। আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনামল, দুর্নীতি, লুটপাট, দমন-পীড়ন এবং সর্বশেষ জুলাই-আগস্ট গণহত্যার দায়ভার থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে চাইছেন এই জোটের বেশিরভাগ দল। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সঙ্গে পথচলার জন্য ‘দুঃখ প্রকাশ’ করে, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তারা স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রমে ফিরতে চান।

১৪ দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতা বলেছেন, তারা কেবল জোটের শরিক ছিলেন এবং তাদের দলগুলোর হাতে বাস্তবিক কোনো ক্ষমতা ছিল না। তারা সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ছিলেন না, বরং আওয়ামী লীগ একক আধিপত্যে দেশ শাসন করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের সঙ্গে অতীতের জোটসঙ্গী হওয়ার কারণে জনগণের মধ্যে তারা এখন সন্দেহের দৃষ্টিতে পড়েছেন, যা তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছে।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা, বহু মন্ত্রী-এমপি গ্রেপ্তার হন, কেউ কেউ আত্মগোপনে চলে যান। দেশের নানা জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাদের বাড়ি-ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জনরোষের শিকার হয়। দলটির বেশিরভাগ নেতাকর্মী এখনো আত্মগোপনে রয়েছেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতনের সঙ্গে সঙ্গে ১৪ দলের শরিকরাও সংকটে পড়েছেন।

বিশেষ করে, ফ্যাসিবাদী সরকারের সহযোগী হিসেবে পরিচিত ১৪ দলের বেশ কিছু নেতা এখন জেলবন্দি। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু সরাসরি জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে আছেন। এদিকে, গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পাশাপাশি ১৪ দলেরও নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে, যা শরিক দলগুলোর ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

তবে ১৪ দলের বেশ কয়েকটি দল নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষায় নড়েচড়ে বসেছে। ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদ সীমিত পরিসরে ঘরোয়া বৈঠক, আলোচনা সভা এবং বিবৃতির মাধ্যমে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করছে। গণতন্ত্রী পার্টির একটি অংশ জাতীয় দিবসগুলোতে কিছু কর্মসূচি পালন করছে, তরীকত ফেডারেশন মাঝে মাঝে বিবৃতি দিয়ে নিজেদের জানান দিচ্ছে, আর বাসদ (রেজাউর) জেলা ও উপজেলা সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তবে বাকি শরিক দলগুলোর অবস্থা আরও শোচনীয়। জাতীয় পার্টি (জেপি), ন্যাপ, সাম্যবাদী দল, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, গণআজাদী লীগ, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি এবং গণতন্ত্রী পার্টির (শাহাদাৎ) কোনো কার্যক্রমই দৃশ্যমান নয়। তারা প্রকাশ্যে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি দিতেও ভয় পাচ্ছে। তবে টেলিফোন ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে নেতারা নিজেদের ভবিষ্যত রাজনীতি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

১৪ দলের কিছু সিনিয়র নেতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে অতীত জোটসঙ্গী হওয়ার জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নেতা বলেন, “আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকা আমাদের জন্য এখন অভিশাপ হয়ে গেছে। আমরা জোটের নামে শুধু নাম লিখিয়েছিলাম, কিন্তু ক্ষমতায় কোনো অংশীদারিত্ব পাইনি। এখন সেই পুরনো সম্পর্ক আমাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের কারণে আমাদেরও রাজনীতির মাঠ সংকুচিত হয়ে পড়েছে।”

গণতন্ত্রী পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার বলেন, “আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে, স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছে, দুর্নীতি করেছে, আমরা এসবের অংশ ছিলাম না। সুতরাং, আওয়ামী লীগের অপকর্মের দায় আমরা নেব না।”

বাসদের (রেজাউর) আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান বলেন, “গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ যে নৃশংসতা ও দুর্নীতি করেছে, তার দায়ভার তারা নিজেদেরই নিতে হবে। ১৪ দলের শরিকরা এতে দায়ী নয়। তারপরও, আমরা অতীতের এই রাজনৈতিক সঙ্গের জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে চাই এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরে যেতে চাই।”

১৪ দলের অন্য শরিক দলগুলোর মধ্যেও একই ধরনের সুর শোনা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের পতনের পর শরিক দলগুলোর ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অনেকেই নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছেন, কেউ কেউ নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করে রাজনীতিতে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। তবে একথা নিশ্চিত, ক্ষমতা ভাগাভাগির রাজনীতি শেষ হয়েছে এবং নতুন বাস্তবতায় ১৪ দলের শরিকরা এখন নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৪৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৪৯

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭২

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭২