রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘আলেমদের যারা নির্যাতন করেছে বাংলার জমিনে তাদের বিচার হবেই’

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে বিপদে ফেলে পালিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগকেও বিপদে ফেলে গেছে। আমরা অন্যায়ভাবে কারো প্রতি জুলুম করতে বিশ্বাসী নই। তবে আমাদের ওপর যারা হামলা করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে, আল্লামা সাঈদীসহ কোরআনের পাখি আলেমদের যারা বিনা কারণে অত্যাচার করেছে, জুলুম করেছে, […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:৩২

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে বিপদে ফেলে পালিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগকেও বিপদে ফেলে গেছে। আমরা অন্যায়ভাবে কারো প্রতি জুলুম করতে বিশ্বাসী নই। তবে আমাদের ওপর যারা হামলা করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে, আল্লামা সাঈদীসহ কোরআনের পাখি আলেমদের যারা বিনা কারণে অত্যাচার করেছে, জুলুম করেছে, নির্যাতন করেছে বাংলার মাটিতে তাদের বিচার হবেই।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পিরোজপুর সদরের মাছিমপুর নূরানী তালিমুল কুরআন মাদ্রাসা মাঠে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
মাসুদ সাঈদী বলেন, শেখ হাসিনার হাত বাংলাদেশের হাজার হাজার আলেমের রক্তে রঞ্জিত। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হাজারো মানুষকে হত্যা করেছে। হাজারো মানুষকে হত্যার মাধ্যমে তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে চেয়েছিল। শেখ হাসিনার বুদ্ধিদাতা, পরামর্শদাতা এবং শেখ হাসিনার গডফাদার ভারতের প্রেসক্রিপশনে বাংলাদেশ থেকে তারা ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। সে কারণে বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় জড়িত সকল দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে কারাবন্দি করেছিল।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বলেছিল তিনি শেখের মেয়ে, তিনি পালান না। কিন্তু দিনশেষে আমরা দেখতে পেলাম হেলিকপ্টারে করে পরিবার নিয়ে পালিয়ে গেছেন। তিনি দেশের সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে অর্থনৈতিক অবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। দেশের ব্যাংকগুলোকে লুটপাট করে তার দল ও আত্মীয়-স্বজন চেটেপুটে খেয়েছে।
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে আরও বলেন, শেখ হাসিনার হাতে এই পর্যন্ত যত বিচারবহির্ভূত হত্যা হয়েছে প্রত্যেকটির বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাকে উপস্থিত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার এবং শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমাদের দাবি খুনি হাসিনাকে ভারত থেকে ধরে এনে বাংলাদেশে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তাকে প্রকাশ্য ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করে আসছি ১৯৭১ সাল থেকে। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে আমরা মনে করেছিলাম বোধহয় আমাদের মুক্তির সংগ্রাম শেষ হল। কিন্তু কষ্টের সঙ্গে বলতে হয় সেই মুক্তির সংগ্রাম আজও শেষ হয়নি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শেষ হয়নি। ভোটের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম শেষ হয়নি। শেখ হাসিনা এবং তার দলের নেতাকর্মীদের কাছেই বাংলাদেশের অর্জিত আয়ের অধিকাংশ সম্পদ কুক্ষিগত ছিল। বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে টাকার পাহাড়। জনগণের অর্থ লুটপাট করে তারা তাদের নিজেদের আখের গুছিয়েছে।
সাবেক এ উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, বাংলার মানুষ যেভাবে ১৯৭১ সালে মুক্তি চেয়েছিল, একইভাবে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের জনগণ এই স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্তির জন্য জীবনময়ী এক সংগ্রামে জড়িয়ে পড়েছিল। যে সংগ্রামের ফসল হিসাবে আমরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আমরা আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এই স্বাধীনতা অর্জন করতে গিয়ে আমাদের শতশত সন্তানের রক্ত দিতে হয়েছে। আমাদের হাজারো সন্তান আহত হয়েছেন। আমাদের শত শত সন্তান চিরতরে চোখের আলো হারিয়েছেন।
মাসুদ সাঈদী বলেন, শুধুমাত্র ক্ষমতার লোভে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার অভিলাসে শেখ হাসিনা গুলি করে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। শুধু তারা ছাত্রদেরকে হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি। বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলন যারা করতেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের যারা তাদেরকে শতাব্দীর নিকৃষ্টতম মিথ্যা সব অভিযোগে তাদেরকে কারাগারে আটকে রেখেছিল। আমাদের নেতাদের মধ্যে ১১ জনকে তারা হত্যা করেছে।
পিরোজপুর পৌর সভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ওয়ার্ড সভাপতি মো. ইকবাল হোসাইনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী জহিরুল হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন জিয়ানগরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী।
১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৬০