বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ কিছুক্ষণ আগে একটি স্ট্যাটাস লিখেছেন তার নিজের ফেসবুকে। সেখানে তিনি বলেন: “KUET এ আজকে যা হয়েছে তার ফলাফল কখনোই ভালো হবে না।”
তিনি আরো বলেন: “ছাত্রলীগের বৈশিষ্ট্য আর শেষ পরিনতি থেকে শিক্ষা নিতে না পারলে দিনশেষে অবস্থা ছাত্রলীগের মতোই হবে।”
বর্তমানে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতি অনেকটাই দলীয় আদর্শের ছায়ায় পরিচালিত হয়। ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, প্রভাব বিস্তারের লড়াই এবং দলীয় কোন্দল নতুন নয়।
হাসনাতের বক্তব্য অনুযায়ী, কেউ যদি নতুনভাবে ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশ করে এবং ছাত্রলীগের মতো শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলতে চায়, তাহলে তাকে একই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
হাসনাত মূলত বলতে চেয়েছেন, ছাত্ররাজনীতি যে পথে এগিয়েছে, সে পথ অনুসরণ করলে ফলাফলও একই হবে। অর্থাৎ, ক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সুবিধা যেমন পাওয়া যাবে, তেমনই সমালোচনার মুখেও পড়তে হবে। এ থেকে বোঝা যায়, ছাত্ররাজনীতির সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে, নতুন কোনো সংগঠন গড়ে উঠলেও তার পরিণতি ছাত্রলীগের মতোই হতে পারে।
বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে নতুন ধারা গড়ে তুলতে হলে ইতিবাচক সংস্কৃতি ও নেতৃত্ব প্রয়োজন। শুধুমাত্র শক্তি ও ক্ষমতার ভিত্তিতে সংগঠন পরিচালনা করলে তা দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে পারে না।
হাসনাতের বক্তব্য তাই শুধু ছাত্রলীগ নয়, সামগ্রিক ছাত্ররাজনীতির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে। এটি ছাত্রনেতাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা, যা ভবিষ্যতে ছাত্ররাজনীতির দিকনির্দেশনা নির্ধারণে সহায়ক হতে পারে।