বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সরাসরি হাসিনার নির্দেশেই সাত খুনের মামলা থেকে বাদ দেয়া হয় শামিম ওসমানকে

শীতলক্ষা নদীতে একের পর এক মৃতদেহ ভেসে ওঠার দৃশ্য নারায়ণগঞ্জের আকাশ ভারী করে তুলেছিল স্বজনদের আর্তনাদ ও কান্নার ধ্বনিতে। নদীর পাড়ে অপেক্ষমাণ মানুষদের সামনে একে একে সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা দেখে স্বজনদের বুকফাটা কান্নায় মুহূর্তেই শোকের ছায়া নেমে আসে। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল আওয়ামী লীগের দোসররা। নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত এই […]

সরাসরি হাসিনার নির্দেশেই সাত খুনের মামলা থেকে বাদ দেয়া হয় শামিম ওসমানকে

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১০:২৬

শীতলক্ষা নদীতে একের পর এক মৃতদেহ ভেসে ওঠার দৃশ্য নারায়ণগঞ্জের আকাশ ভারী করে তুলেছিল স্বজনদের আর্তনাদ ও কান্নার ধ্বনিতে। নদীর পাড়ে অপেক্ষমাণ মানুষদের সামনে একে একে সাতটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা দেখে স্বজনদের বুকফাটা কান্নায় মুহূর্তেই শোকের ছায়া নেমে আসে।

এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল আওয়ামী লীগের দোসররা। নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত এই সাত খুনের ঘটনা সে সময় পুরো বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। তবে, সাত খুনের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শামীম ওসমান সবসময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।

তৎকালীন সময়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম এবং আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন নিখোঁজ হন। তিন দিন পর, তাদের লাশ শীতলক্ষা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। তদন্তে বেরিয়ে আসে, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিল র‍্যাব। এ ঘটনায় র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক, তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতাপশালী মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার জামাতা কর্নেল তারেক সাঈদসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের অন্যতম হোতা নূর হোসেন ঘটনার পরপরই ভারতে পালিয়ে যায়। নারায়ণগঞ্জের বেশিরভাগ অবৈধ কর্মকাণ্ডের গডফাদার হিসেবে পরিচিত নূর হোসেন ছিলেন শামীম ওসমানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর, ২০১৪ সালের জুন মাসে কলকাতায় গ্রেফতার করা হয় নূর হোসেনকে। তবে ভারতীয় পুলিশ এক বছর পর, ২০১৫ সালের নভেম্বরে তাকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম শেষে, আদালত নূর হোসেন, তারেক সাঈদ, মেজর আরিফ হোসেনসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করে।

তবে কৌশলে এ মামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী শামীম ওসমান, তৎকালীন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এফ রহমান হলের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলামকে বিচারের আওতার বাইরে রাখা হয়।

এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ দীর্ঘদিন অন্ধকারেই ছিল, তবে ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলে সত্য উন্মোচিত হতে থাকে। মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সাত খুনের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন শেখ হাসিনা। র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল হক ছাত্র-জনতার বিপ্লবে হাসিনার পতনের পর আটক হলে, তিনি সাত খুনের সাথে জড়িত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন।

জিয়াউল হকের বয়ানে সরাসরি শামীম ওসমানের সংশ্লিষ্টতার কথাও উঠে আসে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনার শুরু থেকেই শেখ হাসিনা বিষয়টি জানতেন, এমনকি সাতজনকে অপহরণ ও হত্যা করে শীতলক্ষা নদীতে ফেলে দেওয়ার বিষয়ে জানতেন হাসিনা। একই সাথে, হাসিনার নির্দেশে শামীম ওসমানকে মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে, এমন তথ্যও পাওয়া যায়।

২০১৮ সালে আসামিদের ফাঁসির আদেশ হলেও সেটি ঝুলিয়ে রাখা হয় হাসিনার নির্দেশেই। এরপর কেটে গেছে আরো প্রায় ছয়টি বছর। মামলাটি এখনো অপেক্ষায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের শুনানির জন্য। যে কারণে, এখনো সেই প্রমাণিত আসামিরাও শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেননি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১০৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১০৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১০৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১০৩